১২ জুন, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ১০৫ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা করা হয়। এলাকার এক ক্ষতিগ্রস্থ দোকানী দুলাল মিয়া ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এই মামলাটি করেন। মামলা করার পর রাতেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫ আসামীকে গ্রেফতার করে। এরা হলো পৌর শহরের কমলপুর এলাকার জিল্লুর রহমানের ছেলে শাওন রহমান অন্তর (৩৫), ভৈরবপুর উত্তর পাড়া এলাকার মৃত সেলিম মোল্লার ছেলে আশিকুজ্জামান লেলিন (৩০), তারই ভাই লিমন (২৮), একই এলাকার মৃত হালিম মোল্লার ছেলে আক্তারুজ্জামান আকাশ (৩২) ও ভৈরবপুর উত্তর পাড়া এলাকার রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে আলাদিন মিয়া (৩৪)। মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়টি পুলিশ নিশ্বিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত বুধবার রাতে তুচ্ছ ঘটনায় দুটি পক্ষ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় একাধিক দোকানপাট ভাঙচুর – লুটপাট করে। এসময় পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়। ঘটনায় এলাকার দুলাল মিয়ার একটি দোকান ভাঙচুরসহ লুটপাট করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ঘটনায় নেতৃত্ব দেন কমলপুর এলাকার শাওন রহমান অন্তর ও হুলুদ মিয়া। অভিযোগে বলা হয় এতে কয়েকলাখ টাকা তার ক্ষতি হয়। এদিন সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারগ্যাস ছুঁড়ে। সেদিনের ঘটনায় আইনশৃংখলা দমনে ব্যর্থ হওয়ায় থানার ওসি মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দকে বৃহস্পতিবার রাতে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) লিমন বোস জানান, গত বুধবার শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ হলে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়। একাধিক দোকানপাট ভাঙচুর লুটপাট হয় এদিন। এই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার এক দোকানী দুলাল মিয়া মামলা করলে রাতেই ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদেরকে আজ শুক্রবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দেয়া হয়। মামলাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনায় থানার ওসিকে প্রত্যাহার করার কথা তিনি স্বীকার করেন।
Reporter Name 









