১০ জুন, নিজস্ব প্রতিনিধি।
ভৈরবে মাইক্রোবাস চালক ও যাত্রীর মধ্যে ভাড়া নিয়ে তর্ক হাতাহাতির জের ধরে সংঘর্ষ হয় । তিন ঘন্টা ব্যাপী এই সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা সহ বেশ কয়েকটি দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাটের খবর পাত্তয়া গেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলেও এখনো সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। সংঘর্ষের কারনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
জানা যায় গত সোমবার ভৈরব দুর্জয় মোড় এলাকার একজন পুরুষ যাত্রী দুই জন মহিলা নিয়ে মাইক্রোবাস ভাড়া করতে আসে। এই সময় ভাড়া নিয়ে মাইক্রো চালক পলাশের সাথে তর্কসহ হাতাহাতি হয়। এই যাত্রী ছিল ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকার অন্তর লাল ও হুলুদের আত্বীয়। তাদের বাসা বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। অপরদিকে চালকের বাসা কমলপুর এলাকায়। ঘটনাটি খবর অন্তর লালে কানে গেলে আজ বুধবার দুপুরে অন্তর লাল ওই চালকের বাড়ী ও মাইক্রোস্ট্যান্ড অফিস ভাংচুর করে। তারই জের ধরে মাইক্রোচালক পলাশ তার কমলপুর এলাকার যুবকদের দলবল নিয়ে অন্তর লালের বাসস্ট্যান্ড এলাকার হোটেল ও শো-রোম ভাংচুর করে। এসময় উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তার জের ধরে বুধবার সন্ধা সাড়ে সাতটার দিকে উভয় দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই সংঘর্ষ বাঁধলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করছে। রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত করতে পারেনি পুলিশ। মহাসড়কে দুই পক্ষের সংঘর্ষের কারনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনায় পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছে বলে তিনি জানান।
Reporter Name 









