ভৈরবে ৪ হাজার ৪৯ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি আটক। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১৯৯ Time View

 ১২ মার্চ,  নিজস্ব  প্রতিনিধি

 ভৈরবে পৃথক অভিযানে ৪ হাজার ৪৯ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম ইরোইনসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভৈরব শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভৈরব সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভৈরব সার্কেলের যৌথ মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক।

 

আটকৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর মোল্লাবাড়ি এলাকার আব্দুর রহমানের মেয়ে রুমি বেগম (৩৬), ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার বাইদ্দা চান্দুরা এলাকার সেলিম ওরফে জনি স্ত্রী সুভা (২২), কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার মানিকদী গ্রামের মো.সুলতান মিয়ার ছেলে সেন্টু মিয়া (২৫), একই উপজেলার পঞ্চবটি পুকুরপাড় এলাকার জজ মিয়ার মেয়ে মোনোয়ারা বেগম (৪০), একই এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে রুজিনা বেগম (৩৮),

জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ভৈরবপুর এলাকাস্থ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার সামনে রাস্তার উপর আসামীদের দেহ তল্লাশি করে তাদের বুকের ভিতরে বিশেষ ভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৩ হাজার ৯শত ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়। 

এছাড়াও ভৈরব শহরের পঞ্চবটি পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৯ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম হেরোইনসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। 

আটকৃত দুই নারীসহ ৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আসামি  মনোয়ারা বেগম ও রোজিনা বেগমকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৫ হাজার টাকা ও ১শ টাকা অর্থদণ্ড এবং আসামী সেন্টু মিয়াকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১শ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এবিষয়ে ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। আটকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় ভৈরব থানায় একটি নিয়মিত মামলা ও ভ্রামামাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই ধরণের অভিযান অব্যাহৃত থাকবে বলে তিনি জানান। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভৈরব পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র এড, আক্কাছ আর নেই। 

ভৈরবে ৪ হাজার ৪৯ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি আটক। 

Update Time : ১১:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

 ১২ মার্চ,  নিজস্ব  প্রতিনিধি

 ভৈরবে পৃথক অভিযানে ৪ হাজার ৪৯ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম ইরোইনসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভৈরব শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভৈরব সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভৈরব সার্কেলের যৌথ মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক।

 

আটকৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর মোল্লাবাড়ি এলাকার আব্দুর রহমানের মেয়ে রুমি বেগম (৩৬), ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার বাইদ্দা চান্দুরা এলাকার সেলিম ওরফে জনি স্ত্রী সুভা (২২), কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার মানিকদী গ্রামের মো.সুলতান মিয়ার ছেলে সেন্টু মিয়া (২৫), একই উপজেলার পঞ্চবটি পুকুরপাড় এলাকার জজ মিয়ার মেয়ে মোনোয়ারা বেগম (৪০), একই এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে রুজিনা বেগম (৩৮),

জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ভৈরবপুর এলাকাস্থ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার সামনে রাস্তার উপর আসামীদের দেহ তল্লাশি করে তাদের বুকের ভিতরে বিশেষ ভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৩ হাজার ৯শত ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়। 

এছাড়াও ভৈরব শহরের পঞ্চবটি পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৯ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম হেরোইনসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। 

আটকৃত দুই নারীসহ ৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আসামি  মনোয়ারা বেগম ও রোজিনা বেগমকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৫ হাজার টাকা ও ১শ টাকা অর্থদণ্ড এবং আসামী সেন্টু মিয়াকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১শ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এবিষয়ে ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। আটকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় ভৈরব থানায় একটি নিয়মিত মামলা ও ভ্রামামাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই ধরণের অভিযান অব্যাহৃত থাকবে বলে তিনি জানান।