৮ আগস্ট, নিজস্ব প্রতিনিধি:
ভৈরব থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সেনাবাহিনীর কাছে জমা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমাজ। আজ বৃহস্পাতিবার সন্ধ্যায় সরকারী হাজী আসমত কলেজে সেনাবাহিনী লেঃ কর্ণেল আফরিনের কাছে ২ টি অস্ত্র জমা দেন। গত ৬ ও ৭ আগস্ট আরো ১৯টি অস্ত্র জমা দিয়েছেন ছাত্ররা।
জানা যায়, ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর ওইদিন বিকালে ভৈরব থানা ভাঙচুর লুটপাট আগুন দেয় দুর্ববত্তরা । এদিন ভৈরব থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা কোন রকম প্রাণে বেঁচে পালিয়ে যায়। এদিকে থানায় থাকা বিভিন্ন অস্ত্র, জব্দকৃত মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করে দুর্ববত্তরা। এ ঘটনার পরদিন ৬ আগস্ট সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থনকারীরা মাইকিং করে থানা থেকে লুট হওয়া সরঞ্জামাধী সংগ্রহ শুরু করে। গত তিন দিনে ভৈরব অবস্থানরত সেনাবাহিনীর কাছে ২১ টি বিভিন্ন অস্ত্র, ২৫০ টি বুলেট, ৩৯টি মোটরসাইকেল ও ৩ টি ভিবাটেক সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বুঝিয়ে দেন তারা।
থানা থেকে লুট হওয়া মালামাল বুঝিয়ে দিতে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নূরে আলম নিলয়, রিয়াদ ইসলাম, আকিব আহমেদ, ফাহিম মিয়া, মবিন মিয়া, সাব্বির রহমান ও দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নুরে আলম নিলয় বলেন, ৫ আগস্ট থেকে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু দুর্বিত্ত ভৈরব থানা লুট করে ও আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আমরা ছাত্র সমাজ কোন ভাবেই এর সাথে জড়িত নয়। দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদেরসহ সবার। আমরা ছাত্ররা দায়িত্ব নিয়েই থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র, মোটরসাইকেল, বুলেট ও বিভাটেকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। মানুষজন নিজ দায়িত্বে মালামাল ফেরত দিয়েছেন আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ভাল কাজটি করতে পেরেছি বলে গর্বিত।।
Reporter Name 








