২ এপ্রিল, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে সন্তান হত্যার প্রধান আসামী বাবা মেরাজকে গ্রেফতার করেছে Rab সদস্যরা। পারিবারিক কলহের জেরে ৭ মাসের শিশু মুজাহিদ উরফে তানভিরকে হত্যা করেছে বাবা মেরাজ মিয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব -১৪,সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার এএসপি মো.শাহজাহান।
আজ শনিবার ভোর রাতে শিশু মুজাহিদ হত্যা মামলার প্রধান আসামী শিশুর পিতা মেরাজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।
জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভৈরব উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদি গ্রামের পূর্বকান্দা এলাকার একটি ডোবা থেকে শিশু মুজাহিদের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছিল। নিহত শিশু উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদি পুরানগাও এলাকার মেরাজ মিয়ার ছেলে। দুই বছর আগে তাসলিমা আক্তারের সাথে মেরাজের বিয়ে হয়। গত সাত মাস আগে তাদের ঘরে জন্ম নেয় শিশু মুজাহিদ। গত ২০ দিন আগে স্বামী ও শ্বাশুরীর সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়ার পর বাবার বাড়িতে চলে যায় তাসলিমা বেগম । এরপর গত ১৬ এপ্রিল শিশুর বাবা মেরাজ মিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে যায়। তখন স্ত্রীর কাছ থেকে শিশু পুত্রকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে নিয়ে আসে । তারপর সারাদিন যাওয়ার পর শিশুর মায়ের কাছে শিশুটিকে ফেরত নিয়ে আসেনি । পরদিন তাসলিমার বাবার বাড়ির লোকজন শিশুকে ফেরত আনতে মেরাজের বাড়িতে গেলে শিশু মোজাহিদকে পাওয়া যায়নি। পরে গত ২১ এপ্রিল শিশুর মা ভৈরব থানায় অভিযোগ করেন। নিখোঁজের ৭দিন পর গত বৃহস্পতিবার সকালে বিলের ডোবায় শিশুর লাশ দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে শিশুর পরিচয় সনাক্ত করে। এই ঘটনায় ২৫ এপ্রিল শুক্রবার রাতে নিহত শিশু মুজাহিদের মা তাসলিমা আক্তার বাদী হয়ে শিশুর বাবা মেরাজ মিয়াকে প্রধান আসামীসহ ৫জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। (যার মামলা নং ৩২)।
এবিষয়ে র্যাব -১৪,সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার এএসপি মো.শাহজাহান জানান, গতকাল রাতে ৭ মাস বয়সী শিশু মুজাহিদ হত্যা মামলার প্রধান আসামী মেরাজ মিয়াকে উপজেলার মানিকদি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিঙ্গাসাবাদে আসামী মেরাজ শিশু সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। যেহেতু ঘটনাটি তদন্তাধীন তাই এই বিষয়ে বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে৷ গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে ভৈরব থানায় হস্তান্তরের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
Reporter Name 









