২৮ জুলাই, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সড়ক সেতুর ওপর পুলিশের পোষাক পড়ে গাড়ী থামিয়ে দুধর্ষ ডাকাতরা একটি দামি মোবাইলসহ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় গাড়ীতে বসা ছিল ড্রাইভারসহ ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানিন শাহেদ রিপন (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত ১ টার দিকে ভৈরবের সড়ক সেতুর টোলপ্লাজার নিকটে। ঘটনাটির অভিযোগ দিতে গিয়ে থানার এড়িয়া নিয়ে টানাটানি হয় বলে ভূক্তভূগি জানান।
এবিষয়ে ভূক্তভূগি ও প্রাইভেট কারের যাত্রী তানিন শাহেদ রিপন এই প্রতিনিধিকে ফোনে বলেন, সোমবার রাত ১০ টায় আমি আমার ড্রাইভারসহ ঢাকা থেকে ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার উদ্যেশে রাওয়ানা দেয়। রাত ১ টার দিকে ভৈরবে সড়ক সেতুর টোলপ্লাজায় টোল দিয়ে ১০০ গজ সড়ক অতিক্রম করলে গাড়ীতে কয়েকটি লেজার লাইট মেরে গাড়ীটি থামাতে বলে পুলিশ। ড্রাইভার পুলিশের পোষাক পড়া কয়েকজনকে দেখতে পেয়ে গাড়ীটি থামায়। এসময় গাড়ীর দরজা খুলতেই পুলিশের পোষাক পড়া ৫ জন ব্যক্তি বলেন, গাড়ীতে মাদক আছে চেক করব। তখন চেক করার নাম করে তারা যাত্রী রিপনকে বলেন তোর কাছে যা আছে দিয়ে দে। এসময় সড়কের নিচ থেকে আরও ৬ জন ডাকাত গাড়ীর কাছে আসে। তখন বুঝতে পারে তারা হয়তো পুলিশ নয়, ডাকাতদল। পরে অস্ত্র দেখালে যাত্রী রিপনের কাছে থাকা ৮০ হাজার টাকা ও তার দামি মোবাইটি দিয়ে দিলে ডাকাতদলের সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, ঘটনার পর আমি আশুগঞ্জ থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে ঘটনাটি বলে অভিযোগ দিতে চাই। তখন পুলিশ বলল ঘটনাটির এড়িয়া ভৈরব এলাকায়। তাই ভৈরব থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন। পরে ভৈরব থানায় ফিরে এসে দেখেন থানায় সেন্ট্রি ছাড়া কোন পুলিশ নেই। তারপর তিনি ব্রাক্ষণবাড়ীয়ায় রাতেই ফিরে যায়। প্রশ্ন হলো পুলিশের পোষাকে তারা কারা ছিল।
এবিষয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন কুমার চৌধুরিকে আজ মঙ্গলবার ঘটনাটি অবহিত করলে তিনি জানান, সোমবার রাতে আমার থানার কোন পুলিশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সড়ক সেতুতে ডিউটি ছিলনা। তারপরও আমি ঘটনাটি খতিয়ে দেখব। তিনি বলেন এই ঘটনার জন্য ভূক্তভূগিকে ভৈরব থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে হবে। বিষয়টি থানা পুলিশ অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে।
Reporter Name 








