১০ মে, নিজস্ব প্রতিনিধি।
ভৈরব খাদ্যগুদামে আজ রোববার সরকারী চাল ক্রয় উদ্বোধন করা হয়। খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মৌসুমি সিরাজ স্থানীয় তামজীদ অটোরাইস মিল থেকে ২৪ টন চাল ক্রয় করার মাধ্যমে শুরু হলো চাল কেনা। এবার বোরো মৌসুমে ভৈরব খাদ্য গুদামে স্থানীয় তিনটি রাইস মিল থেকে ৩ হাজার ২৪২ টন চাল ক্রয় করবে। তার মধ্য তামজীদ অটোরাইস মিল বরাদ্দ পেয়েছে ১ হাজার ১৩২ টন, মা অটোরাইস মিল বরাদ্দ পেয়েছে ৯৯০ টন, মাম অটোরাইস বরাদ্দ পেয়েছে ১ হাজার ১২০ টন। ইতিমধ্য কৃষকদের কাছ থেকে ৭ টন ধানও ক্রয় করেছে বলে খাদ্য গুদাম সূত্র জানায়।
সরকার এবার বোরো ধানের চাল ক্রয়ের দর নির্ধারণ করেছে প্রতি কেজি ৪৯ টাকা ও কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনবে ৩৬ টাকা কেজি দরে। সরকারী চাল ক্রয় শুরু করার পরই বাজারে ধানের দাম বেড়ে গেছে। এছাড়া হাওরে এবার অতিবৃষ্টিতে ফসল ডুবে যাওয়ার কারনে ভৈরব বাজারে ধানের আমদানী কমে গেছে। ফলে বাজারে ধানের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে আজ রোববার ভৈরব বাজারে প্রতিমন মোটা ধান বিক্রি হয়েছে ৯০০/৯২০ টাকা ও চিকন ধান বিক্রি হয়েছে ১০০০/১০৫০ টাকা দরে। তবে দুই তিন আগে এখানে ধানের দাম প্রতিমনে ২০০ টাকা কম ছিল। এখানে উল্লেখ্য সরকারীভাবে ধান প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দামে কিনলে ১৪৪০ টাকা মনে পাবে কৃষকরা।
ভৈরবের ১৮২৫ জন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সরকারীভাবে সহায়তা পাবে। উপজেলা কৃষি অফিস ইতিমধ্যই ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকের তালিকা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট সরবরাহ করেছে। দুর্যোগ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদেরকে সহায়তা প্রদান করবে বলে কৃষি অফিস জানায়। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা তৈরি করে আমরা সরবরাহ করেছি।
উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মৌসুমী সিরাজ জানান, আমাদের ভৈরব গুদামে এবার বোরো মৌসুমে ৩ হাজার ২৪২ মেঃ টন চাল ক্রয় করব। এছাড়া স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ৭১৫ টন ধান ক্রয় করব। আজ একটি রাইসমিল থেকে ২৪ টন চাল কিনে উদ্বোধন করা হলো বলে তিনি জানান।
Reporter Name 









