ভৈরবে সরকারী পণ্য দেয়ার নামে  বিএনপি নেতার পকেটে কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৩৯ Time View

২৫ এপ্রিল, নিজস্ব  প্রতিনিধি। 

ভৈরবে সরকারী পণ্য দেয়ার নামে বিএনপি নেতার পকেটে কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। তিনি আজ শনিবার সকালে ভৈরব প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সন্মেলন করে অভিযোগ খন্ডন করে বলেছেন যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। তার সামাজিক ও পারিবারিক এবং দলের  সন্মান ক্ষুন্ন করতেই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার ভাই মাহাবুব মিয়া ও পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বশীর আহমেদসহ আরও কয়েকজন। 

বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ খন্ডন করে  বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি নরসিংদির বেলাব থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামের ১০/১২ জন লোক আমার সাথে দেখা করে জানান আমার ছোট ভাই মাহাবুবের স্ত্রী টুনি আক্তার তার বাবার বাড়ীতে গৃহস্থলির পণ্য কেনা নিয়ে গড়মিল ও দন্দ্ব হয়। ঘটনা শুনে আমি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। এরপর গত ৭ মার্চ তারা আবারও আমার ভৈরবের দোকানে এসে মব সৃষ্টি করলে আমি পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করি। মূলত ঘটনাটি আমার ছোট ভাইয়ের বাবার বাড়ীর কলহ। একারনে তারা আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হেয় করতে ভৈরবে আসে। বিষয়টি নিয়ে ইব্রাহিমপুর গ্রামে দরবার শালিশ হয়। তখন শালিশে মাতাবরগন আমার ভাইবৌয়ের কাছ থেকে জোর করে তিনটি ব্যাংক চেক নিলে থানায় জিডি করা হয়। পরে ভৈরবের কতিপয় লোক দিয়ে আমাকে হুমকি দেয়। আমি বলেছিলাম ইব্রাহিমপুরের ঘটনা সেই এলাকায় দরবার করে সমাধান হোক। কারন ঘটনায় জড়িত আমার ভাইয়ের বৌয়ের বাপের বাড়ীর লোকজন। সেখানে তারা ভৈরবে এসে আমাকে হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে আমি ভৈরব থানায় অভিযোগ দিয়েছি। পণ্য দেয়ার নামে আমি তিনকোটি টাকা আত্মসাৎ করেছি যা মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ বলে তিনি  দাবি করেন। সংবাদ সন্মেলনে তার ছোট ভাই মাহাবুব বলেছেন ঘটনাটি আমার শুশুর বাড়ীর লোকজনের ঝামেলা। এতে তার স্ত্রী জড়িত নয়। তারপরও এলাকার লোকজন তাদেরকেসহ তার স্ত্রীকে হুমকি  দিচ্ছে। ঘটনায় তার বড় ভাই বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন। 

গত ১৭ এপ্রিল বেলাব থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামের অর্ধশত নারী-পুরুষ ভৈরব প্রেসক্লাবে এসে বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ ও তার ছোট ভাই মাহাবুব এবং তার স্ত্রী টুনি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তারা সরকারী পণ্য কমদামে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে পণ্য না দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। ওইদিনের অভিযোগের ঘটনাটি গত  ১৮ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশ হয়। 

আজ শনিবার সকালে  পাল্টা সংবাদ সন্মেলন করে বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ অভিযোগকারীদের সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট দাবি করেন এবং ১৮ এপ্রিল যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেন তিনি। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভৈরব পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র এড, আক্কাছ আর নেই। 

ভৈরবে সরকারী পণ্য দেয়ার নামে  বিএনপি নেতার পকেটে কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার। 

Update Time : ১০:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

২৫ এপ্রিল, নিজস্ব  প্রতিনিধি। 

ভৈরবে সরকারী পণ্য দেয়ার নামে বিএনপি নেতার পকেটে কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। তিনি আজ শনিবার সকালে ভৈরব প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সন্মেলন করে অভিযোগ খন্ডন করে বলেছেন যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। তার সামাজিক ও পারিবারিক এবং দলের  সন্মান ক্ষুন্ন করতেই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার ভাই মাহাবুব মিয়া ও পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বশীর আহমেদসহ আরও কয়েকজন। 

বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ খন্ডন করে  বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি নরসিংদির বেলাব থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামের ১০/১২ জন লোক আমার সাথে দেখা করে জানান আমার ছোট ভাই মাহাবুবের স্ত্রী টুনি আক্তার তার বাবার বাড়ীতে গৃহস্থলির পণ্য কেনা নিয়ে গড়মিল ও দন্দ্ব হয়। ঘটনা শুনে আমি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। এরপর গত ৭ মার্চ তারা আবারও আমার ভৈরবের দোকানে এসে মব সৃষ্টি করলে আমি পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করি। মূলত ঘটনাটি আমার ছোট ভাইয়ের বাবার বাড়ীর কলহ। একারনে তারা আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হেয় করতে ভৈরবে আসে। বিষয়টি নিয়ে ইব্রাহিমপুর গ্রামে দরবার শালিশ হয়। তখন শালিশে মাতাবরগন আমার ভাইবৌয়ের কাছ থেকে জোর করে তিনটি ব্যাংক চেক নিলে থানায় জিডি করা হয়। পরে ভৈরবের কতিপয় লোক দিয়ে আমাকে হুমকি দেয়। আমি বলেছিলাম ইব্রাহিমপুরের ঘটনা সেই এলাকায় দরবার করে সমাধান হোক। কারন ঘটনায় জড়িত আমার ভাইয়ের বৌয়ের বাপের বাড়ীর লোকজন। সেখানে তারা ভৈরবে এসে আমাকে হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে আমি ভৈরব থানায় অভিযোগ দিয়েছি। পণ্য দেয়ার নামে আমি তিনকোটি টাকা আত্মসাৎ করেছি যা মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ বলে তিনি  দাবি করেন। সংবাদ সন্মেলনে তার ছোট ভাই মাহাবুব বলেছেন ঘটনাটি আমার শুশুর বাড়ীর লোকজনের ঝামেলা। এতে তার স্ত্রী জড়িত নয়। তারপরও এলাকার লোকজন তাদেরকেসহ তার স্ত্রীকে হুমকি  দিচ্ছে। ঘটনায় তার বড় ভাই বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন। 

গত ১৭ এপ্রিল বেলাব থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামের অর্ধশত নারী-পুরুষ ভৈরব প্রেসক্লাবে এসে বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ ও তার ছোট ভাই মাহাবুব এবং তার স্ত্রী টুনি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তারা সরকারী পণ্য কমদামে দেয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে পণ্য না দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। ওইদিনের অভিযোগের ঘটনাটি গত  ১৮ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশ হয়। 

আজ শনিবার সকালে  পাল্টা সংবাদ সন্মেলন করে বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ অভিযোগকারীদের সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট দাবি করেন এবং ১৮ এপ্রিল যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেন তিনি।