বাংলার মাটিতে আর কোন আলেম সমাজকে যুদ্ধাপরাধী বা  রাজাকার  বলা যাবে না।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৩ Time View

ভৈরবের পথসভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা  মেজর (অবঃ)  আক্তারুজ্জামান রঞ্জন

৬ ফেব্রুয়ারি,  নিজস্ব  প্রতিনিধি।

বাংলার মাটিতে আর কোন আলেম সমাজকে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল-বদর আল-সামস বলা যাবে না।

গতকাল  বৃহস্পতিবার রাতে সাড়ে ৮ টায় ভৈরব এমপি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবঃ)  আক্তারুজ্জামান রঞ্জন। 

এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা যুদ্ধ কোন আলেমের বিরুদ্ধে করেনি, যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের সেনাদের  নামায পড়াইছেন তাই বলে কি তারা যুদ্ধাপরাধী। ফ্যাসিস্ট  আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব  বয়ান বন্ধ করতে হবে। আমি একজন ক্ষুদ্র মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বলতেছি আমরা বাংলাদেশের কোন আলেমদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করি নাই। আর আজকের যে আলেম সমাজ তাদের তো বয়সই ছিলো না। তারা তখন জন্মই হয়নি।  আমাদের আল্লামা  মামুনুর হক সাহেবের বয়স তখন কত ছিলো বলেন ? কাজেই এই ট্যাগ বন্ধ করতে হবে৷ এটার বিরুদ্ধে আমাদের কথা বলতে হবে। আমরা জুলাই আন্দোলন করেছি, বাংলাদেশ নতুন উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করেছেন আমরা সবাই ঐক্যবন্ধ হয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়তে চাই। মানুষ অপরাধ করবে,  সেজন্যই তো দেশে  আইন কানুন রয়েছে । মানুষ তো ফেরেশতা না, কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের স্বার্থে অনেককিছু  করে, আবার কিছু মানুষ নিজের অবস্থার পরিবর্তনের জন্য কিছু  করে। আজকে দেখা যাচ্ছে বিচারের নামে একটি দল বাণিজ্য করছে। পুলিশ প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্য, আবার তাদের বাড়িতে টেলিফোন করে বলে দিচ্ছে আমি পুলিশ আটকাচ্ছি তুমি যা দেবার দিয়ে দাও। সমস্যা হচ্ছে আমার পুলিশ ভাইদের,  সমস্যা হচ্ছে প্রশাসনের। আমি আজকে আমার সম্মানিত নেতাকে সামনে রেখে বলতে চাই আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত এলার্ম দিয়ে দেন কোন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে যেন পুলিশ না যায়। তারা ভোট দিতে আসবে এই নির্বাচনে,  তারা যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে। অপরাধ করলে এতোদিন তো কোন বিচার করে নাই দেড়বছর তো চলে গেলো৷ আগামী  সাতদিন আর বাণিজ্য নাই বা করলেন। ১২ তারিখের পরে নতুন  সরকার আসবে। যদি মামুনুল হকের জোটের  দল ক্ষমতায় আসে তাহলে হয়তো তাকে  বড় আসনে আমরা দেখবো। তখন তিনি ন্যায় নীতির ভিত্তিতে বিচার করবেন। 

নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ জোটের দলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বাংলার মাটিতে আর কোন আলেম সমাজকে যুদ্ধাপরাধী বা  রাজাকার  বলা যাবে না।

Update Time : ০৭:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভৈরবের পথসভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা  মেজর (অবঃ)  আক্তারুজ্জামান রঞ্জন

৬ ফেব্রুয়ারি,  নিজস্ব  প্রতিনিধি।

বাংলার মাটিতে আর কোন আলেম সমাজকে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল-বদর আল-সামস বলা যাবে না।

গতকাল  বৃহস্পতিবার রাতে সাড়ে ৮ টায় ভৈরব এমপি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবঃ)  আক্তারুজ্জামান রঞ্জন। 

এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা যুদ্ধ কোন আলেমের বিরুদ্ধে করেনি, যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের সেনাদের  নামায পড়াইছেন তাই বলে কি তারা যুদ্ধাপরাধী। ফ্যাসিস্ট  আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব  বয়ান বন্ধ করতে হবে। আমি একজন ক্ষুদ্র মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বলতেছি আমরা বাংলাদেশের কোন আলেমদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করি নাই। আর আজকের যে আলেম সমাজ তাদের তো বয়সই ছিলো না। তারা তখন জন্মই হয়নি।  আমাদের আল্লামা  মামুনুর হক সাহেবের বয়স তখন কত ছিলো বলেন ? কাজেই এই ট্যাগ বন্ধ করতে হবে৷ এটার বিরুদ্ধে আমাদের কথা বলতে হবে। আমরা জুলাই আন্দোলন করেছি, বাংলাদেশ নতুন উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করেছেন আমরা সবাই ঐক্যবন্ধ হয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়তে চাই। মানুষ অপরাধ করবে,  সেজন্যই তো দেশে  আইন কানুন রয়েছে । মানুষ তো ফেরেশতা না, কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের স্বার্থে অনেককিছু  করে, আবার কিছু মানুষ নিজের অবস্থার পরিবর্তনের জন্য কিছু  করে। আজকে দেখা যাচ্ছে বিচারের নামে একটি দল বাণিজ্য করছে। পুলিশ প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্য, আবার তাদের বাড়িতে টেলিফোন করে বলে দিচ্ছে আমি পুলিশ আটকাচ্ছি তুমি যা দেবার দিয়ে দাও। সমস্যা হচ্ছে আমার পুলিশ ভাইদের,  সমস্যা হচ্ছে প্রশাসনের। আমি আজকে আমার সম্মানিত নেতাকে সামনে রেখে বলতে চাই আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত এলার্ম দিয়ে দেন কোন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে যেন পুলিশ না যায়। তারা ভোট দিতে আসবে এই নির্বাচনে,  তারা যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে। অপরাধ করলে এতোদিন তো কোন বিচার করে নাই দেড়বছর তো চলে গেলো৷ আগামী  সাতদিন আর বাণিজ্য নাই বা করলেন। ১২ তারিখের পরে নতুন  সরকার আসবে। যদি মামুনুল হকের জোটের  দল ক্ষমতায় আসে তাহলে হয়তো তাকে  বড় আসনে আমরা দেখবো। তখন তিনি ন্যায় নীতির ভিত্তিতে বিচার করবেন। 

নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ জোটের দলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।