বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ভৈরবের  জোবায়েদের পরিবার মামলার বাদীকে চেনেনা। মা বাদী হয়ে করলেন আরেকটি মামলা । 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪০৪ Time View

১৮ অক্টোবর, নিজস্ব  প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট ভৈরবের জোবায়েদ (১৬) ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন প্রবাসী ও  সাংবাদিকসহ ৯১ জনকে আসামী করে মামলা করেন ভৈরবের এক যুবলীগ নেতা মনির হোসেন। অথচ নিহতের পরিবার জানেনা মামলার বাদী কে বা কি তার পরিচয়। মামলার এজাহারে নিহত জোবায়েরের কোনো পরিচয় ও ঠিকানা না লেখায় পুলিশ মামলাটি নিয়ে তখন বিব্রত অবস্থায় পড়ে। তৎসময়ে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ নিহতের পরিচয় ঠিকানা ছাড়া কিভাবে মামলাটি গ্রহন করল তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। পরবর্তীতে নিহতের নাম জোবায়েদ জানা গেল। ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে জোবায়েদ। তার মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জোবায়েদ যাত্রাবাড়ীতে একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করত। তার পরিবার ঢাকার শনির আখড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত। বাবা নাজির হোসেন ভ্যানচালক। দরিদ্র পরিবার। ঘটনার দিন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে সে তার বাসা থেকে বের হয়ে কাজে যায়। দুপুরে বাসায় ফেরার পথে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় জোবায়েদ। এটা তার মায়ের বক্তব্য। ঘটনার একমাস পর ভৈরবের যুবলীগ নেতা মনির হোসেন তার পরিবারকে কিছু না জানিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় ৯১ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। আসামীদের সবার বাড়ী ভৈরব এলাকায়। আসামীদের মধ্য ৮/১০ জন বিদেশ প্রবাসী রয়েছে যা অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে। এরই মধ্য যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের এস আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জোবায়েরের পরিচয় ঠিকানা সংগ্রহ করে ভৈরবে তার পরিবারের কাছে আসলে পরিবার থেকে জানানো হয় মামলার বাদীকে তারা চেনেনা এবং তাদের ছেলেকে ভৈরবের কেউ হত্যা করেনি। তার মা হোসনেআরা বেগম পুলিশকে জানায় ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এরই মধ্য মামলার দুইজন আসামী রুটি মনির ও বাবুল কিশোরগঞ্জে অন্য মামলায় হাজির হয়ে জেলে গেলে এই দুজনকে যাত্রাবাড়ী থানার মামলায়  শোনএরেস্ট দেখানো হয়। পরে ১০ মাস জেল খেটে গত কয়েকদিন আগে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে জেল থেকে ছাড়া পায়। এর আগে বাদী মনির হোসেন গত ৫ ডিসেম্বর এক এফিডিভিট করে আদালতে স্বীকার করেন তারা দুজন হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত নন। উক্ত মামলায় ভৈরবের তিনজন সাংবাদিককেও মিথ্যা আসামী করা হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে বাদী মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকার বানিজ্য করতে চেয়েছিল এবং কয়েকজন আসামীর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা বানিজ্য করেছেন, এমন অভিযোগ ভূক্তভূগিদের। 

মামলার এক আসামী ভৈরব চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোঃ হুমায়ূন কবির এবিষয়ে বলেন, আমাকে বাদী মিথ্যা আসামী করেছে। ঘটনার দিন আমি বিদেশে অবস্থান করেছিলাম। স্থানীয় সাংবাদিক অপু ও মাছুম বলেন, আমাদেরকে মিথ্যা আসামী করেছে বাদী মনির। আমরা কোন রাজনীতি করিনা। জোবায়েদ যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, এটা তার পরিবরের বক্তব্য। আমরা ঘটনার দিন ভৈরবে নিউজ সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলাম যা অনেকেই দেখেছে। বাদী মনির একজন প্রতারক, ভন্ড। তারা দুজন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে বাদীর বিচার দাবি করেন। আরও দুই আসামী রুটি মনির ও বাবুল বলেন, মিথ্যা মামলায় আসামী হয়ে আমরা বিনা কারনে ১০ মাস জেল খাটলাম। বাদী নিজে এফিডেভিট করে বলেছে ভুল বশতঃ আমাদেরকে আসামী করা হয়েছে। বাদীর বিচার দাবি করেন তারা দুজন। 

এবিষয়ে নিহতের মা হোসনেআরা বেগম আজ শনিবার সকালে জনপদ সংবাদ প্রতিনিধিকে  বলেন, আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে যা প্রতক্ষ্যদর্শীরা আমাকে জানিয়েছে। মামলার বাদী আমাকে অবগত না করে মামলাটি করেছে, তাকে আমি চিনিনা। ভৈরবের কোন লোক আমার ছেলেকে হত্যা করেনি। পরবর্তীতে আমি গত ৪ মার্চ -২৫ ইং তারিখে পুলিশের তৎকালীন আইজিপিসহ ৬ জন পুলিশকে আসামী করে ঢাকার আদালতে আরেকটি মামলা করেছি। তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেছেন। 

প্রথম মামলার বাদী মনির হোসেনকে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একারনে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে যতদূর জানা গেছে মিথ্যা মামলা করার পর সে ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

যাত্রাবাড়ী থানার এস আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বেশ কয়েকমাস আমি মামলাটি তদন্ত করে অনেক সত্যতা পেয়েছি যা বলতে পারবনা। তবে মামলাটি এখন এন্টি টেররিজম ইউনিট তদন্ত করছে। অর্থাৎ মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সেখানে  স্থানান্তর করেছেন। 

ঢাকার মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং বিভাগের এন্টি টেররিজম ইউনিট, ঢাকা অফিসের পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ জাফর আলী বিশ্বাস এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন, মামলাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার ঘটনা ও আসামীদের সম্পৃক্ততা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। জানতে পেরেছি নিহতের মা আনেকটি মামলা করেছেন পুলিশকে আসামী করে। এক ঘটনায় দুটি মামলা রেকর্ড হয়না, তবে প্রকৃত সত্য ঘটনা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। বাদী মনির হোসেন কেন, কি কারনে নিহতের কোন আত্মীয় না হয়েও তাদেরকে না জানিয়ে মামলাটি করেছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিষয়গুলি সামনে রেখে মামলাটির সঠিক ঘটনা বের করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয়া হবে। কোন নীরিহ ব্যক্তিকে বিনা কারনে আসামী করা হলে তাদের নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া হবে বলে তিনি জানান। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ভৈরবের  জোবায়েদের পরিবার মামলার বাদীকে চেনেনা। মা বাদী হয়ে করলেন আরেকটি মামলা । 

Update Time : ০১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

১৮ অক্টোবর, নিজস্ব  প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট ভৈরবের জোবায়েদ (১৬) ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন প্রবাসী ও  সাংবাদিকসহ ৯১ জনকে আসামী করে মামলা করেন ভৈরবের এক যুবলীগ নেতা মনির হোসেন। অথচ নিহতের পরিবার জানেনা মামলার বাদী কে বা কি তার পরিচয়। মামলার এজাহারে নিহত জোবায়েরের কোনো পরিচয় ও ঠিকানা না লেখায় পুলিশ মামলাটি নিয়ে তখন বিব্রত অবস্থায় পড়ে। তৎসময়ে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ নিহতের পরিচয় ঠিকানা ছাড়া কিভাবে মামলাটি গ্রহন করল তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। পরবর্তীতে নিহতের নাম জোবায়েদ জানা গেল। ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে জোবায়েদ। তার মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জোবায়েদ যাত্রাবাড়ীতে একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করত। তার পরিবার ঢাকার শনির আখড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত। বাবা নাজির হোসেন ভ্যানচালক। দরিদ্র পরিবার। ঘটনার দিন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে সে তার বাসা থেকে বের হয়ে কাজে যায়। দুপুরে বাসায় ফেরার পথে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় জোবায়েদ। এটা তার মায়ের বক্তব্য। ঘটনার একমাস পর ভৈরবের যুবলীগ নেতা মনির হোসেন তার পরিবারকে কিছু না জানিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় ৯১ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। আসামীদের সবার বাড়ী ভৈরব এলাকায়। আসামীদের মধ্য ৮/১০ জন বিদেশ প্রবাসী রয়েছে যা অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে। এরই মধ্য যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের এস আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জোবায়েরের পরিচয় ঠিকানা সংগ্রহ করে ভৈরবে তার পরিবারের কাছে আসলে পরিবার থেকে জানানো হয় মামলার বাদীকে তারা চেনেনা এবং তাদের ছেলেকে ভৈরবের কেউ হত্যা করেনি। তার মা হোসনেআরা বেগম পুলিশকে জানায় ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এরই মধ্য মামলার দুইজন আসামী রুটি মনির ও বাবুল কিশোরগঞ্জে অন্য মামলায় হাজির হয়ে জেলে গেলে এই দুজনকে যাত্রাবাড়ী থানার মামলায়  শোনএরেস্ট দেখানো হয়। পরে ১০ মাস জেল খেটে গত কয়েকদিন আগে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে জেল থেকে ছাড়া পায়। এর আগে বাদী মনির হোসেন গত ৫ ডিসেম্বর এক এফিডিভিট করে আদালতে স্বীকার করেন তারা দুজন হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত নন। উক্ত মামলায় ভৈরবের তিনজন সাংবাদিককেও মিথ্যা আসামী করা হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে বাদী মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকার বানিজ্য করতে চেয়েছিল এবং কয়েকজন আসামীর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা বানিজ্য করেছেন, এমন অভিযোগ ভূক্তভূগিদের। 

মামলার এক আসামী ভৈরব চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোঃ হুমায়ূন কবির এবিষয়ে বলেন, আমাকে বাদী মিথ্যা আসামী করেছে। ঘটনার দিন আমি বিদেশে অবস্থান করেছিলাম। স্থানীয় সাংবাদিক অপু ও মাছুম বলেন, আমাদেরকে মিথ্যা আসামী করেছে বাদী মনির। আমরা কোন রাজনীতি করিনা। জোবায়েদ যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, এটা তার পরিবরের বক্তব্য। আমরা ঘটনার দিন ভৈরবে নিউজ সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলাম যা অনেকেই দেখেছে। বাদী মনির একজন প্রতারক, ভন্ড। তারা দুজন মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে বাদীর বিচার দাবি করেন। আরও দুই আসামী রুটি মনির ও বাবুল বলেন, মিথ্যা মামলায় আসামী হয়ে আমরা বিনা কারনে ১০ মাস জেল খাটলাম। বাদী নিজে এফিডেভিট করে বলেছে ভুল বশতঃ আমাদেরকে আসামী করা হয়েছে। বাদীর বিচার দাবি করেন তারা দুজন। 

এবিষয়ে নিহতের মা হোসনেআরা বেগম আজ শনিবার সকালে জনপদ সংবাদ প্রতিনিধিকে  বলেন, আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে যা প্রতক্ষ্যদর্শীরা আমাকে জানিয়েছে। মামলার বাদী আমাকে অবগত না করে মামলাটি করেছে, তাকে আমি চিনিনা। ভৈরবের কোন লোক আমার ছেলেকে হত্যা করেনি। পরবর্তীতে আমি গত ৪ মার্চ -২৫ ইং তারিখে পুলিশের তৎকালীন আইজিপিসহ ৬ জন পুলিশকে আসামী করে ঢাকার আদালতে আরেকটি মামলা করেছি। তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেছেন। 

প্রথম মামলার বাদী মনির হোসেনকে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একারনে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে যতদূর জানা গেছে মিথ্যা মামলা করার পর সে ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

যাত্রাবাড়ী থানার এস আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বেশ কয়েকমাস আমি মামলাটি তদন্ত করে অনেক সত্যতা পেয়েছি যা বলতে পারবনা। তবে মামলাটি এখন এন্টি টেররিজম ইউনিট তদন্ত করছে। অর্থাৎ মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সেখানে  স্থানান্তর করেছেন। 

ঢাকার মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং বিভাগের এন্টি টেররিজম ইউনিট, ঢাকা অফিসের পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ জাফর আলী বিশ্বাস এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন, মামলাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার ঘটনা ও আসামীদের সম্পৃক্ততা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। জানতে পেরেছি নিহতের মা আনেকটি মামলা করেছেন পুলিশকে আসামী করে। এক ঘটনায় দুটি মামলা রেকর্ড হয়না, তবে প্রকৃত সত্য ঘটনা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। বাদী মনির হোসেন কেন, কি কারনে নিহতের কোন আত্মীয় না হয়েও তাদেরকে না জানিয়ে মামলাটি করেছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিষয়গুলি সামনে রেখে মামলাটির সঠিক ঘটনা বের করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয়া হবে। কোন নীরিহ ব্যক্তিকে বিনা কারনে আসামী করা হলে তাদের নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।