১৬ অক্টোবর, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরব জংশন স্টেশন সড়কের পাশে থাকা আবর্জনার স্তূপ আড়াল করতে কাপড়ের পর্দা সরিয়ে সড়কের পাশ দিয়ে বাঁশের তৈরি বেড়া দেওয়া হয়েছে। যেন সড়কে পথচারীদের চলাচলে ময়লা আবর্জনার স্তুপ চোখে না পড়ে। গত বুধবার এক উপদেষ্টা ভৈরব আসলে সেদিন ময়লার ভাগার পর্দা দিয়ে ঢেকে দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ।

আজ বৃস্পতিবার ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশন সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ট্রাক ও ভ্যান ভর্তি ময়লা আবর্জনা সড়কের পাশের বেড়া সরিয়ে সেখানে ফেলা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের আসার খবরে পর্দা দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছিল এই সড়কের আবর্জনার স্তূপ। সেখানে কাপড়ের পর্দা সরিয়ে এখন নতুন করে আবর্জনা আড়াল করতে সড়কের পাশ দিয়ে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে হাস্যরসের তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির এক পাশের পুকুরে কয়েক বছর ধরে আবর্জনা ফেলছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এ থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধে প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহান পথচারীরা।
ভৈরব পৌর শহরের প্রধান সড়কের একটি স্টেশন সড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেয় ভৈরব স্টেশনে। সড়কের এক পাশে রেলওয়ের বড় পুকুর। পুকুরের মধ্যভাগ দিয়ে একটি সড়ক আছে। সড়কের এক পাশের পুকুরে কয়েক বছর ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ আবর্জনা ফেলার স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, দীর্ঘ বছর যাবত পৌর বাসিন্দারা সড়কের পাশে যত্রতত্র জায়গায় ময়লা আর্বজনা ফেলবার এই সমস্যায় ভুগছি।
আরেক বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন , এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই যাতায়ত করে থাকি। ময়লা আর্বজনার স্তুপের দুর্গন্ধে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী পথচারী নাক চেপে সড়ক পার হতে হয়।
এবিষয়ে ভৈরব পৌরসভার সচিব মো. ফারুক জানান, পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন পৌর শহরের ১২টি ওয়ার্ডের বিপুল পরিমাণ ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। জনভোগান্তি দুর্ভোগ এড়াতে সড়কের পাশটি বেড়া দিয়ে ঢেকে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্য পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লা আবর্জনা ফেলার ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাম্পিং স্টেশন চালু এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি জানান।
Reporter Name 









