ভৈরব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।। যে কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম  সেন্টু পরাজিত হলেন।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ৩৩১ Time View

৬ জুন, নিজস্ব প্রতিনিধি:

গতকাল বুধবার ৫ জুন বুধবার  ভৈরব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল মনসুর চেয়ারম্যান পদে কাপপিরিচ প্রতীকে  বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সর্বমোট ভোট পেয়েছেন ৪৮২০০ ভোট।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম ঘোড়া মার্কা প্রতীকে  চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে ভোট পেয়েছেন ৩২৪২৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান হয়েছে ১৫৭৭৫। ক্ষমতাসীন দলের পদে থেকেও  চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হওয়ায় ভৈরবে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। কারন ভোটের আগে বেশ কয়েকদিন ভোটারদের মধ্য আলোচনা ছিল ছিল জাহাংগীর আলমই বিজয়ী হতে পারে। তার সভা সমাবেশ প্রচারণায় দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ছিল সোচ্ছার। পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সম্পাদক খলিলুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান লিটন মিয়া, হারুনউর রশিদসহ উপজেলা ৭ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা জাহাংগীরের পক্ষে প্রচারনা করেও তাকে বিজয়ী করাতে পারেনি। শেষ রক্ষা হলোনা তার।

  অপরদিকে আবুল মনসুর দলের কোন পদে নেই ৮ বছর যাবত। এর আগে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১০ বছর। বিগত ৮ বছর আগে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মেলনে দলের  সভাপতি পদে আ,লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়ার সাথে ভোটে হেরে যান। তারপর থেকে তিনি দলে পদহারা হয়ে আছেন। আবুল মনসুর হাজি আসমত কলেজের ভিপি থেকে শুরু করে ছাত্রলীগ,  যুবলীগ, আ,লীগ করে বিরোধী দলের সময়ে জেল জুলুম অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করে দলটি করছেন। গত মেয়াদেও তিনি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে সায়দুল্লাহ মিয়ার সাথে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। তখন তার অভিযোগ ছিল তাকে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে তাকে  পরাজিত করেছে। এবারের নির্বাচনে দলের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা তার পাশে থেকে প্রচার করে, পরিশ্রম করে নির্বাচিত করাতে গিয়ে সফল হন। নির্বাচনে প্রচারে আবুল মনসুরের সাথে এবার ছিল পৌর মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু, আ,লীগ নেতা মির্জা সুলাইমান, উপজেলার ৫ জন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক নেতাকর্মীগন।  ভৈরবে এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলেই সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিয়েছে। ভোটারগন মনে করেছেন আবুল মনসুরকে দলের  একটি পক্ষ দীর্ঘদিন যাবত দলে পদ না দিয়ে বঞ্চিত করে রেখেছে। মানবিক কারনে স্বতস্ফুর্তভাবে সাধারণ মানুষ ও বঞ্চিত নেতাকর্মীরা তাকে বিপুল ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।

অপরদিকে জাহাংগীর আলম ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক পদে থেকেও এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ মেনে নিতে পারেনি। তার প্রচার প্রচারনায় তার সাথের নেতাকর্মীগন দলের অনেক নেতাকর্মীকেসহ, ইউপি চেয়ারম্যান যারা কাপপিরিচ প্রতীকে আবুল  মনসুরের পক্ষে কাজ করেছে তাদেরকে হুমকি দুমকি দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ও মনসুরের লোকজন ভয়ে আতংকে থেকে মরণপনভাবে মনসুরকে বিজয়ী করতে দিনরাত উঠেপড়ে কাজ করেছে। হুমকি দুমকিতে নির্বাচনে  জাহাংগীর আলমের অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে জাহাংগীর আলম হুমকি দুমকির কথা অস্বীকার করে বলেছেন, মনসুরের লোকজন যারা আজেবাজে বক্তব্য দিয়েছে তার জবাব দিয়েছেন তারা। আবার আবুল মনসুর তার লোকজনকে ভয় আতংকে না থাকতে শান্তনা দিয়েছেন। জাহাংগীর আলমের পাশে থেকে প্রচারনা করে অনেকে তাকে ভোট দেয়নি এমন অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে  নির্বাচনের দিন পকেটে ছিল জাহাংগীরের  ঘোড়া প্রতীক কিন্ত তাদের অনেকে মনসুরের কাপপিরিচ প্রতীকে ভোট দিয়ে দিয়েছে গোপন ব্যালটে। কারন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর, তাই অনেকে ভয়ে ভয়ে সামনে প্রচারনায় ছিল ঘোড়া প্রতীক কিন্ত মনে মনে ছিল কাপপিরিচ। ঘটনাটি জাহাংগীর নির্বাচনের আগে বুঝতেই পারেনি এমনটি হবে। 

এবারের নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন কারো পক্ষ অবলম্বন করেননি। তিনি নির্বাচন ঘোষনার পরই দুই প্রার্থীসহ দলের ৪ প্রার্থীকে বলে দিয়েছেন যেহেতু নৌকা মার্কা থাকবেনা, তাই তিনি কারো পক্ষে ভোট দেয়ার  কথা বলবেননা। পাপনের কথা ছিল জনগন যাকে পছন্দ করবে সেই ভোটে বিজয়ী হয়ে আসবে। তিনি বলেছেন সবাই আমার দলের নেতাকর্মী। কাজেই আমি নিরেপক্ষ নির্বাচন চাই। এসব নানা কারনে জাহাংগীর আলম সেন্টু নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে গেছেন। 

এবিষয়ে পৌর মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু বলেছেন, আবুল মনসুর দলের একজন পরীক্ষীত নেতা। বিএনপির আমলে  জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করে দলটি এগিয়ে নিয়েছেন। এখন দলে তার কোন পদ নেই। এছাড়া দলের ক্ষমতার স্বাধ মাত্র কয়েকজন ভোগ করছে। বাকীরা বঞ্চিত। একারনে আমি আবুল মনসুরের পক্ষে থেকে নির্বাচন করেছি, তাকে সহায়তা করেছি। মনসুরকে  বিজয়ী করে  সফলও হলাম। জনগন ক্ষমতায় থাকা পদধারীদেরকে ভাল চোখে দেখেনা। জাহাংগীর দলের একটি চক্রের সাথে থেকে দলকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যা আমি মনে করি। জনতা ও দলের নেতাকর্মীরা ভোটের মাধ্যমে  এবার প্রমান করে দিল আবুল মনসুর জনগনের নেতা। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভৈরব পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র এড, আক্কাছ আর নেই। 

ভৈরব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।। যে কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম  সেন্টু পরাজিত হলেন।

Update Time : ০১:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

৬ জুন, নিজস্ব প্রতিনিধি:

গতকাল বুধবার ৫ জুন বুধবার  ভৈরব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল মনসুর চেয়ারম্যান পদে কাপপিরিচ প্রতীকে  বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সর্বমোট ভোট পেয়েছেন ৪৮২০০ ভোট।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম ঘোড়া মার্কা প্রতীকে  চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে ভোট পেয়েছেন ৩২৪২৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান হয়েছে ১৫৭৭৫। ক্ষমতাসীন দলের পদে থেকেও  চেয়ারম্যান পদে পরাজিত হওয়ায় ভৈরবে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। কারন ভোটের আগে বেশ কয়েকদিন ভোটারদের মধ্য আলোচনা ছিল ছিল জাহাংগীর আলমই বিজয়ী হতে পারে। তার সভা সমাবেশ প্রচারণায় দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ছিল সোচ্ছার। পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সম্পাদক খলিলুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান লিটন মিয়া, হারুনউর রশিদসহ উপজেলা ৭ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা জাহাংগীরের পক্ষে প্রচারনা করেও তাকে বিজয়ী করাতে পারেনি। শেষ রক্ষা হলোনা তার।

  অপরদিকে আবুল মনসুর দলের কোন পদে নেই ৮ বছর যাবত। এর আগে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১০ বছর। বিগত ৮ বছর আগে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মেলনে দলের  সভাপতি পদে আ,লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়ার সাথে ভোটে হেরে যান। তারপর থেকে তিনি দলে পদহারা হয়ে আছেন। আবুল মনসুর হাজি আসমত কলেজের ভিপি থেকে শুরু করে ছাত্রলীগ,  যুবলীগ, আ,লীগ করে বিরোধী দলের সময়ে জেল জুলুম অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করে দলটি করছেন। গত মেয়াদেও তিনি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে সায়দুল্লাহ মিয়ার সাথে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। তখন তার অভিযোগ ছিল তাকে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে তাকে  পরাজিত করেছে। এবারের নির্বাচনে দলের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা তার পাশে থেকে প্রচার করে, পরিশ্রম করে নির্বাচিত করাতে গিয়ে সফল হন। নির্বাচনে প্রচারে আবুল মনসুরের সাথে এবার ছিল পৌর মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু, আ,লীগ নেতা মির্জা সুলাইমান, উপজেলার ৫ জন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক নেতাকর্মীগন।  ভৈরবে এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলেই সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিয়েছে। ভোটারগন মনে করেছেন আবুল মনসুরকে দলের  একটি পক্ষ দীর্ঘদিন যাবত দলে পদ না দিয়ে বঞ্চিত করে রেখেছে। মানবিক কারনে স্বতস্ফুর্তভাবে সাধারণ মানুষ ও বঞ্চিত নেতাকর্মীরা তাকে বিপুল ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।

অপরদিকে জাহাংগীর আলম ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক পদে থেকেও এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ মেনে নিতে পারেনি। তার প্রচার প্রচারনায় তার সাথের নেতাকর্মীগন দলের অনেক নেতাকর্মীকেসহ, ইউপি চেয়ারম্যান যারা কাপপিরিচ প্রতীকে আবুল  মনসুরের পক্ষে কাজ করেছে তাদেরকে হুমকি দুমকি দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ও মনসুরের লোকজন ভয়ে আতংকে থেকে মরণপনভাবে মনসুরকে বিজয়ী করতে দিনরাত উঠেপড়ে কাজ করেছে। হুমকি দুমকিতে নির্বাচনে  জাহাংগীর আলমের অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে জাহাংগীর আলম হুমকি দুমকির কথা অস্বীকার করে বলেছেন, মনসুরের লোকজন যারা আজেবাজে বক্তব্য দিয়েছে তার জবাব দিয়েছেন তারা। আবার আবুল মনসুর তার লোকজনকে ভয় আতংকে না থাকতে শান্তনা দিয়েছেন। জাহাংগীর আলমের পাশে থেকে প্রচারনা করে অনেকে তাকে ভোট দেয়নি এমন অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে  নির্বাচনের দিন পকেটে ছিল জাহাংগীরের  ঘোড়া প্রতীক কিন্ত তাদের অনেকে মনসুরের কাপপিরিচ প্রতীকে ভোট দিয়ে দিয়েছে গোপন ব্যালটে। কারন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর, তাই অনেকে ভয়ে ভয়ে সামনে প্রচারনায় ছিল ঘোড়া প্রতীক কিন্ত মনে মনে ছিল কাপপিরিচ। ঘটনাটি জাহাংগীর নির্বাচনের আগে বুঝতেই পারেনি এমনটি হবে। 

এবারের নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন কারো পক্ষ অবলম্বন করেননি। তিনি নির্বাচন ঘোষনার পরই দুই প্রার্থীসহ দলের ৪ প্রার্থীকে বলে দিয়েছেন যেহেতু নৌকা মার্কা থাকবেনা, তাই তিনি কারো পক্ষে ভোট দেয়ার  কথা বলবেননা। পাপনের কথা ছিল জনগন যাকে পছন্দ করবে সেই ভোটে বিজয়ী হয়ে আসবে। তিনি বলেছেন সবাই আমার দলের নেতাকর্মী। কাজেই আমি নিরেপক্ষ নির্বাচন চাই। এসব নানা কারনে জাহাংগীর আলম সেন্টু নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে গেছেন। 

এবিষয়ে পৌর মেয়র ইফতেখার হোসেন বেনু বলেছেন, আবুল মনসুর দলের একজন পরীক্ষীত নেতা। বিএনপির আমলে  জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করে দলটি এগিয়ে নিয়েছেন। এখন দলে তার কোন পদ নেই। এছাড়া দলের ক্ষমতার স্বাধ মাত্র কয়েকজন ভোগ করছে। বাকীরা বঞ্চিত। একারনে আমি আবুল মনসুরের পক্ষে থেকে নির্বাচন করেছি, তাকে সহায়তা করেছি। মনসুরকে  বিজয়ী করে  সফলও হলাম। জনগন ক্ষমতায় থাকা পদধারীদেরকে ভাল চোখে দেখেনা। জাহাংগীর দলের একটি চক্রের সাথে থেকে দলকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে যা আমি মনে করি। জনতা ও দলের নেতাকর্মীরা ভোটের মাধ্যমে  এবার প্রমান করে দিল আবুল মনসুর জনগনের নেতা।