২ মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে ফল ব্যবসায়ী আবুল কালামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আত্মসাত ও প্রাণনাশের অভিযোগে ম্যানেজার আনোয়ার পারভেজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী ব্যবসায়ী।
আজ সোমবার দুপুর ১২টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আবুল কালাম বলেন, ভৈরবের সিলেট বাসস্ট্যান্ডের ফল মার্কেটে ২০০৯ সালে আমার প্রতিষ্ঠানে মো. আনোয়ার পারভেজকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়৷ পরে ১০ বছর যাবত আমার প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক লেনদেন ও হিসাব-নিকাশের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০১০ সাল থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত ব্যবসার লেনদেনের স্বার্থে মো. আনোয়ার পারভেজ সর্বমোট ৩৮১ কোটি ৪৮ লক্ষ ১১ হাজার ৯২ টাকা গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ব্যয় দেখান ৩৭৭ কোটি ১৭ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৯৫ টাকা। লেনদেন হিসাব অনুযায়ী অবশিষ্ট ৪ কোটি ৩০ লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৯৭ টাকার হিসাব দিতে পারেনি। উল্লেখিত টাকা আমার ম্যানেজার আমার সাথে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে।
তিনি আরো বলেন, হিসাব গড় মিলের পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আমি আমার ম্যানেজার আনোয়ার পারভেজের কাছে ৪ কোটি টাকার বিস্তারিত হিসাব চাইলে সে আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে। সেই সাথে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা করতে থাকেন। এতে আমি নিশ্চিত হই আনোয়ার পারভেজ আমার বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। পরবর্তীতে আমার টাকা উদ্ধার করতে আমি অভিযুক্তের বাড়িতে যায় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আনোয়ার পারভেজ আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি টাকা ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযুক্ত কর্মচারী অনোয়ার পারভেজ বলেন, আমি কালাম মিয়ার প্রতিষ্ঠানে পার্টনার ছিলাম। যদিও আমার কাছে পার্টনারশিপের কোন ডকুমেন্টস নাই। কালাম মিয়ার ছেলে ব্যবসার দায়িত্ব নেয়ার পর আমাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিতে আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র করছে। কালাম মিয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এবিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, টাকা আত্মসাতের বিষয়টি শুনেছি তবে এখনো এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 









