ভৈরবের ইকবাল সাড়ে ৪ বছরের সাজা এড়াতে ৩২ বছর যাবত পলাতক।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৩৩৭ Time View

১ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবের খান মোহাম্মদ ইকবাল সাড়ে ৪ বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ৩২ বছর যাবত পলাতক রয়েছে। পৌর শহরের চন্ডিবের গ্রামের মৃত সামসুল আলম খাঁনের ছেলে ইকবাল। একটি প্রতারণা মামলায় ১৯৯৩ সালের ৩১ জুলাই  তার ৪ বছর ৪ মাস কারাদন্ড হয় তার । বিচারের রায়ের দিন সে অনুপস্থিত ছিল। এদিন কিশোরগঞ্জ ম্যাজিস্ট্যাট আদালতের বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান মামলার রায় দেয়ার পর তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। সেই ওয়ারেন্ট ভৈরব থানায় আসলেও পুলিশ তাকে আজ পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়েছে। জানা গেছে একটি পাওনার বিষয়ে খান মোহাম্মদ ইকবাল বাদীকে একটি চেক প্রদান করে। পরে চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজনার হলে পাওনাদার আসাদুজ্জামান ফারুক  তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। পরে সাক্ষ্যপ্রমানে প্রমানিত হওয়ায় ১৯৯৩ সালে  তাকে উক্ত কারাদন্ড দেয়া হয়। রায় দেয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত সে আদালতে আত্মসমর্পন করে সাজা খাটেনি। ঘটনাটি বিরল ঘটনা। সাড়ে ৪ বছর সাজা এড়াতে ৩২ বছর যাবত সে পলাতক জীবনযাপন করছে। তার পরিবার জানায় সে বেঁচে আছে, তবে আত্মগোপনে রয়েছে। 

এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি)  মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, সাজার ঘটনাটি ৩২ বছর আগের। ঘটনার বিষয়টি আমি অবগত নয়, কারন অনেক আগের ঘটনা।  সাড়ে ৪ বছরের সাজার জেল না খেটে ৩২ বছর যাবত পলাতক এমন ঘটনা আমি দেখেনি। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ভৈরবের ইকবাল সাড়ে ৪ বছরের সাজা এড়াতে ৩২ বছর যাবত পলাতক।

Update Time : ০৩:০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

১ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবের খান মোহাম্মদ ইকবাল সাড়ে ৪ বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ৩২ বছর যাবত পলাতক রয়েছে। পৌর শহরের চন্ডিবের গ্রামের মৃত সামসুল আলম খাঁনের ছেলে ইকবাল। একটি প্রতারণা মামলায় ১৯৯৩ সালের ৩১ জুলাই  তার ৪ বছর ৪ মাস কারাদন্ড হয় তার । বিচারের রায়ের দিন সে অনুপস্থিত ছিল। এদিন কিশোরগঞ্জ ম্যাজিস্ট্যাট আদালতের বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান মামলার রায় দেয়ার পর তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। সেই ওয়ারেন্ট ভৈরব থানায় আসলেও পুলিশ তাকে আজ পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়েছে। জানা গেছে একটি পাওনার বিষয়ে খান মোহাম্মদ ইকবাল বাদীকে একটি চেক প্রদান করে। পরে চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজনার হলে পাওনাদার আসাদুজ্জামান ফারুক  তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। পরে সাক্ষ্যপ্রমানে প্রমানিত হওয়ায় ১৯৯৩ সালে  তাকে উক্ত কারাদন্ড দেয়া হয়। রায় দেয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত সে আদালতে আত্মসমর্পন করে সাজা খাটেনি। ঘটনাটি বিরল ঘটনা। সাড়ে ৪ বছর সাজা এড়াতে ৩২ বছর যাবত সে পলাতক জীবনযাপন করছে। তার পরিবার জানায় সে বেঁচে আছে, তবে আত্মগোপনে রয়েছে। 

এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি)  মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, সাজার ঘটনাটি ৩২ বছর আগের। ঘটনার বিষয়টি আমি অবগত নয়, কারন অনেক আগের ঘটনা।  সাড়ে ৪ বছরের সাজার জেল না খেটে ৩২ বছর যাবত পলাতক এমন ঘটনা আমি দেখেনি।