২২ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে নারী নির্যাতনের অভিযোগে শ্বাশুড়ী ও ননদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। শহরের গাছতলাঘাট এলাকার গৃহবধূ মরিয়ম বেগম আজ রোববার দুপুরে বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত শ্বাশুড়ী হলো শরিফা বেগম ও ননদ আসমা বেগম। পৌর শহরের গাছতলাঘাট এলাকার সালাউদ্দিন মিয়ার স্ত্রী মরিয়ম। তার দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে সন্তান আছে।
অভিযোগে জানা গেছে, শ্বাশুড়ি শরীফা বেগম ও ননদ আসমা বেগম প্রায় দিন তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। স্বামী এসব জেনেও বাধা বা প্রতিবাদ করেনা। কারন স্বামীর বাড়ীর জায়গার মালিক শ্বাশুড়ি শরিফা বেগম। বাসার খুটিনাটি কাজ নিয়ে শ্বাশুড়ি তার পূত্রবধূ মরিয়মকে প্রায় সময় অত্যাচার নির্যাতন করে তার অভিযোগ। গতকাল শনিবার দুপুরে শ্বাশুড়ি ও ননদ তুচ্ছ ঘটনায় তাকে মারধোর করে। এসময় তার চোখে আঘাত লাগলে চোখটি মারাত্মকভাবে জখম হয়। ঘটনায় গৃহবধূ মরিয়ম থানায় অভিযোগ করে।
এবিষয়ে গৃহবধূ মরিয়ম বলেন, আমার শ্বাশুড়ি বিনা কারনে আমাকে অত্যাচার করে। আমার ৪ টি সন্তান। শ্বাশুড়ি বলে স্বামী আমাকে তালাক দিয়েছে, তাই বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে। আমার স্বামীকে তিনি আরেকটি বিয়ে করিয়েছে। তবে আমার স্বামী আরেকটি বিয়ে করলেও আমাকে তালাক দেয়নি। স্বামীর বাড়ীটির জায়গার মালিক শ্বাশুড়ি। একারনে স্বামী তার মাকে কিছু বলতে পারেনা। শনিবার শ্বাশুড়ি ননদ আমাকে মেরে চোখে মারাত্মকভাবে জখম করেছে। তাই বিচার পেতে মামলা করেছি।
এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ মামলার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন গৃহবধূর অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিব।
Reporter Name 









