নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যুগান্তরের ভৈরব প্রতিনিধি কার্ড পায়নি। অখ্যাত প্রচারহীন মিডিয়ার কর্মীরাসহ অচেনা ব্যক্তিরা কার্ড পেয়েছে। এদায় কার?  

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৭ Time View

১৩ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ- ৬ ( ভৈরব- কুলিয়ারচর) আসনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যুগান্তরের ভৈরব প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান ফারুক যথানিয়মে কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিলেই তাকে এবার  নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড দেয়া হয়নি। গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি সহকারী রিটার্নি অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যুগান্তরের আইডি কার্ড ও অফিস প্রত্যয়ন এবং অন্যান্য চাহিদার কাগজপত্রসহ আবেদন করেন। গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্য স্থানীয় প্রতিনিধিগন একই নিয়মে সবাই আবেদন করেছেন। এরই মধ্য অফিস থেকে বলা হয় সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড পেতে যারা আবেদন করেছেন তাদের আবেদন যাচাই- বাছাই করতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে পাঠানো হয়েছে। পরে স্থানীয় সাংবাদিকগনসহ যুগান্তর সাংবাদিক প্রতিনিধি পর্যবেক্ষণ কার্ড পেতে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকে। অফিস থেকে বলা হয় ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখে কার্ড সরবরাহ করা হবে। তারপর ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ৯ টায় কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিস থেকে ভৈরব উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের ৫৫ টি পর্যবেক্ষণ কার্ড আনা হয়। এতে দেখা যায় অখ্যাত, প্রচারহীন মিডিয়ার কার্ডও এসেছে। এমনকি সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তি, অনেক দলীয় ব্যক্তি যারা কখনও সাংবাদিকতা করতে দেখা যায়নি এমন কয়েকজন পর্যবেক্ষণ কার্ড পায়। কিন্ত প্রচারবহুল  যুগান্তর পত্রিকার ভৈরব প্রতিনিধির কার্ড জেলা থেকে আসেনি। কেন আসেনি বা দেয়া হয়নি তার জবাব সহকারী রিটার্নিং অফিসার কে এম মামুনুর রশীদ দিতে পারেনি। বিষয়টির ব্যাপারে সমাধান করতে রাত ১১ টা পর্যন্ত তিনি যুগান্তর প্রতিনিধিকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি যুগান্তর প্রতিনিধিকে পর্যবেক্ষণ কার্ড না দিয়েই অফিস থেকে বিদায় দেন। 

জানা গেছে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ টি উপজেলার সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ডগুলির সকল  আবেদন যাচাই-বাছাই করার জন্য জেলা অফিসের জে এম শাখার  সংশ্লিষ্ট  ম্যাজিস্ট্যাটকে দায়িত্ব প্রদান করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম। বিগত সব  নির্বাচনে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড স্ব স্ব উপজেলা থেকে সহকারী রিটার্নিং অফিসারগন ইস্যু করে থাকে। এবার ১৩ উপজেলাসহ জেলা সদরের সকল কার্ড জেলা থেকে ইস্যু করা হয়েছে। ফলে হ য ব র ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়। কি কারনে যুগান্তর প্রতিনিধিকে কার্ড দেয়া হয়নি তার কারন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ জানাতে পারেননি। দেখা গেছে এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে অখ্যাত, প্রচারহীন, অচেনা ব্যক্তি, সাংবাদিক নামধারি ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হয়। যুগান্তর প্রতিনিধি ৩৫ বছর যাবত ভৈরবে সাংবাদিকতা করছেন। তিনি ভৈরব প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম- সম্পাদক ও সিনিয়র সহ- সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ভৈরব টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ঘটনাটি নিয়ে ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোঃ সোহেলুর রহমানসহ স্থানীয় সাংবাদিকগন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যুগান্তরের ভৈরব প্রতিনিধি কার্ড পায়নি। অখ্যাত প্রচারহীন মিডিয়ার কর্মীরাসহ অচেনা ব্যক্তিরা কার্ড পেয়েছে। এদায় কার?  

Update Time : ০১:১৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৩ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ- ৬ ( ভৈরব- কুলিয়ারচর) আসনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে যুগান্তরের ভৈরব প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান ফারুক যথানিয়মে কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিলেই তাকে এবার  নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড দেয়া হয়নি। গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি সহকারী রিটার্নি অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যুগান্তরের আইডি কার্ড ও অফিস প্রত্যয়ন এবং অন্যান্য চাহিদার কাগজপত্রসহ আবেদন করেন। গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্য স্থানীয় প্রতিনিধিগন একই নিয়মে সবাই আবেদন করেছেন। এরই মধ্য অফিস থেকে বলা হয় সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড পেতে যারা আবেদন করেছেন তাদের আবেদন যাচাই- বাছাই করতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে পাঠানো হয়েছে। পরে স্থানীয় সাংবাদিকগনসহ যুগান্তর সাংবাদিক প্রতিনিধি পর্যবেক্ষণ কার্ড পেতে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকে। অফিস থেকে বলা হয় ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখে কার্ড সরবরাহ করা হবে। তারপর ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ৯ টায় কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিস থেকে ভৈরব উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের ৫৫ টি পর্যবেক্ষণ কার্ড আনা হয়। এতে দেখা যায় অখ্যাত, প্রচারহীন মিডিয়ার কার্ডও এসেছে। এমনকি সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তি, অনেক দলীয় ব্যক্তি যারা কখনও সাংবাদিকতা করতে দেখা যায়নি এমন কয়েকজন পর্যবেক্ষণ কার্ড পায়। কিন্ত প্রচারবহুল  যুগান্তর পত্রিকার ভৈরব প্রতিনিধির কার্ড জেলা থেকে আসেনি। কেন আসেনি বা দেয়া হয়নি তার জবাব সহকারী রিটার্নিং অফিসার কে এম মামুনুর রশীদ দিতে পারেনি। বিষয়টির ব্যাপারে সমাধান করতে রাত ১১ টা পর্যন্ত তিনি যুগান্তর প্রতিনিধিকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি যুগান্তর প্রতিনিধিকে পর্যবেক্ষণ কার্ড না দিয়েই অফিস থেকে বিদায় দেন। 

জানা গেছে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ টি উপজেলার সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ডগুলির সকল  আবেদন যাচাই-বাছাই করার জন্য জেলা অফিসের জে এম শাখার  সংশ্লিষ্ট  ম্যাজিস্ট্যাটকে দায়িত্ব প্রদান করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম। বিগত সব  নির্বাচনে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড স্ব স্ব উপজেলা থেকে সহকারী রিটার্নিং অফিসারগন ইস্যু করে থাকে। এবার ১৩ উপজেলাসহ জেলা সদরের সকল কার্ড জেলা থেকে ইস্যু করা হয়েছে। ফলে হ য ব র ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়। কি কারনে যুগান্তর প্রতিনিধিকে কার্ড দেয়া হয়নি তার কারন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ জানাতে পারেননি। দেখা গেছে এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে অখ্যাত, প্রচারহীন, অচেনা ব্যক্তি, সাংবাদিক নামধারি ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হয়। যুগান্তর প্রতিনিধি ৩৫ বছর যাবত ভৈরবে সাংবাদিকতা করছেন। তিনি ভৈরব প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম- সম্পাদক ও সিনিয়র সহ- সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ভৈরব টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ঘটনাটি নিয়ে ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোঃ সোহেলুর রহমানসহ স্থানীয় সাংবাদিকগন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।