কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে সৎ যোগ্য প্রার্থীকে  নির্বাচিত করতে চান এলাকার ভোটারগণ। প্রার্থীদের প্রচারণা জমজমাট।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৭ Time View

২৪ জানুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনটি অতিগুরুত্বপূর্ণ। কারন এই আসনটিতে জিল্লুর রহমান দেশ স্বাধীনের পর থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার বাড়ী ভৈরবে।  পরে তিনি সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করে  ২০০৯ সালে দেশের রাষ্ট্রপতি হলে উপ- নির্বাচনে তার একমাত্র পুত্র নাজমুল হাসান পাপন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাপন ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। তার মধ্য দুই একটি ছাড়া সব নির্বাচনগুলিতে কখনও সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি এমন অভিযোগ রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাপন বার বার ভোট ডাকাতি করে জনগনের ভোট ছাড়াই তিনবার সংসদ সদস্য হন। তিনি নির্বাচিত হয়ে এলাকার তেমন কোন উন্নয়ন করেননি এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। পাপন বিসিবি সভাপতিও ছিলেন। ফলে ঢাকায় বসবাসসহ সেখানেই সময় দিতেন। এলাকার জনগন তাকে কখনও কাছে পেতেননা। ভোটারগন ঢাকায় গিয়েও তার দেখা তেমন একটা পেতনা এমন অসংখ্য অভিযোগ জনগনের। তার বাবা জিল্লুর রহমান আওয়ামী লীগের বড় নেতা ও সংসদ সদস্য হয়েও ভৈরব- কুলিয়ারচরের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করতে পারেননি, এমনটাই বলেছেন জনগন। শেখ হাসিনার নিকটআত্মীয় ছিল জিল্লুর রহমানের পরিবার। একারনে বার বার তারা দলের মনোনয়ন পেত।  ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। স্বৈরাচার হাসিনা সরকার থেকে বিদায় নিয়ে দেশ থেকে পালিয়েছে। 

দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সংসদ সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবেনা। অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় এবার এদলের কেউ নির্বাচনে অংশ নেবেনা সারা দেশে। 

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা মোট ৯ জন। তার মধ্য উল্লেখযোগ্য প্রার্থী বিএনপির মোঃ শরীফুল আলম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দলের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিন। তিনি জামায়েত ইসলামী দলের জোটের প্রার্থী। একারনে এই আসনে জামায়েত ইসলামী দলের কোন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আতাউল্লাহ আমিনকে সমর্থন দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দলের আরও ৭ জন প্রার্থী থাকলেও তাদের প্রচারণা মাঠে তেমন একটা দেখা যাচ্ছেনা। 

নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিন গত ২২ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভৈরবের জনসভায় বক্তৃতা করে ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলমকে ভোট দেয়ার আহবান করে গেছেন। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলেই এলাকার উন্নয়ন হবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। অপরদিকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিন এলাকায় প্রচারণা শুরু করেছেন। বিএনপির প্রার্থী শরীফুল আলম ইতিপূর্বে ২০০৬ সাল থেকে ৪ বার প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলেও বার বার পরাজিত হয়েছেন। তার অভিযোগ ভোট ডাকাতি করে  তাকে পরাজিত করা হয়েছে। শরীফুল আলম ভৈরব – কুলিয়ারচর এলাকায় ২৫ বছর যাবত পরিচিত মুখ। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দি আতাউল্লাহ আমিনসহ বাকী ৮ জন প্রার্থী ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নয়। ফলে নির্বাচনে অপ্রতিদ্বন্দি প্রার্থী শরীফুল আলম। ভোটারদের কাছে তিনি একজন ভাল ও সৎ নেতা হিসেবে জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে আছেন। যেহেতু আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী এবার নেই, তাই শরীফুল আলম ফাঁকা মাঠে গোল করার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনে বর্তমানে যে ৯ জন প্রার্থী মাঠে আছে তাদের মধ্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শরীফুল আলমকে যোগ্য মনে করছেন ভোটারগন। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে। 

ভৈরবের শিক্ষাবিদ মোঃ আবদুল বাসেত যুগান্তরকে জানান, বিগত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারেনি। এবার যোগ্য, সৎ ও ভাল নেতাকে ভোট দিব। এলাকার উন্নয়ন যিনি করতে পারবেন তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন তিনি। বর্তমান প্রার্থীদের মধ্য শরীফুল আলমকে তিনি যোগ্য মনে করেন। 

সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ সোহেলের রহমান একই কথা বলেন। তিনি বলেন শরীফুল আলম সংসদ সদস্য হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তিনি একজন যোগ্য, সৎ নেতা। 

কুলিয়ারচর এলাকার চায়ের দোকানদার মজনু মিয়া বললেন, বিগত দিনের এমপি পাপন জনবিচ্ছিন্ন নেতা ছিলেন। আমি ও আমার পরিবার এবার ভাল, সৎ যোগ্য নেতাকে ভোট দিব। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বললেন, শরীফুল আলমের মত ভাল মানুষ হয়না। আমি তাকে ভোট দিব। 

আবদুর রশিদ নামের এক অটোচালক বলেন, আজেবাজে প্রার্থীকে ভোট দিবনা। যিনি যোগ্য, এলাকার কাজ করতে পারবে তাকে ভোট দিব। 

আবদুল্লাহ নামের একজন চাকুিরীজিবী বলেন, যাকেতাকে ভোট দিয়ে ভোটটি নষ্ট করবনা। আমি ভাল ও যোগ্য নেতাকে ভোট দিব। 

হানিফ মিয়া নামের একজন কৃষক বলেন, গত ১৫ বছর আমি ভোট দিতে পারেনি, এবার বিএনপির প্রার্থী শরীফুল আলমকে ভোট দিব। 

মুদি দোকানদার সাকিব আলী সরাসরি বলেন, রাখঢাক করে লাভ নেই। আমি যোগ্য প্রার্থী শরীফুল আলমকে ভোট দিতে চাই। ভৈরব চেম্বারের সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদ বলেন, শরীফুল আলমকে একবার ভোট দিয়ে বিজয়ী করে তার কাজ দেখতে চাই। ভৈরব বাজারের শ্রমিক খোকন মিয়া বলেন, শরীফুল আলম বিএনপির বড় নেতা। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীরা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোন লক্ষণ দেখতে পারছিনা। এলাকার অধিকাংশ ভোটার শরীফুল আলমকে পছন্দ করে, তাই আমিও তাকে ভোট দিতে চাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মৌলানা বলেন, ইসলামের শাষন প্রতিষ্ঠা করতে আমি আতাউল্লাহ আমিনকে ভোট দিব। তিনি বিজয়ী হবেন কিনা আমি জানিনা। তবে আমি তাকে ভোট দিতে চাই। 

ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, গত ১৫ বছর ভোট ডাকাতি না হলে শরীফুল আলম অনেক আগেই সংসদ সদস্য হতেন। ভোটারগন সচেতন আছে। এবারের নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন, এমন প্রত্যাশা আমাদের। কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান একই কথা বলেন। 

বিএনপির প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম বলেন, আমি ২৫ বছর যাবত মাঠে থেকে জনগনের সেবা করছি। মামলা হামলা অত্যাচার সহ্য করেছি। ৪ বার নির্বাচন করেও ভোট ডাকাতির কারনে বিজয়ী হতে পারেনি। এবার আমার প্রত্যাশ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে সৎ যোগ্য প্রার্থীকে  নির্বাচিত করতে চান এলাকার ভোটারগণ। প্রার্থীদের প্রচারণা জমজমাট।

Update Time : ০২:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

২৪ জানুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনটি অতিগুরুত্বপূর্ণ। কারন এই আসনটিতে জিল্লুর রহমান দেশ স্বাধীনের পর থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার বাড়ী ভৈরবে।  পরে তিনি সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করে  ২০০৯ সালে দেশের রাষ্ট্রপতি হলে উপ- নির্বাচনে তার একমাত্র পুত্র নাজমুল হাসান পাপন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাপন ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। তার মধ্য দুই একটি ছাড়া সব নির্বাচনগুলিতে কখনও সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি এমন অভিযোগ রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাপন বার বার ভোট ডাকাতি করে জনগনের ভোট ছাড়াই তিনবার সংসদ সদস্য হন। তিনি নির্বাচিত হয়ে এলাকার তেমন কোন উন্নয়ন করেননি এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। পাপন বিসিবি সভাপতিও ছিলেন। ফলে ঢাকায় বসবাসসহ সেখানেই সময় দিতেন। এলাকার জনগন তাকে কখনও কাছে পেতেননা। ভোটারগন ঢাকায় গিয়েও তার দেখা তেমন একটা পেতনা এমন অসংখ্য অভিযোগ জনগনের। তার বাবা জিল্লুর রহমান আওয়ামী লীগের বড় নেতা ও সংসদ সদস্য হয়েও ভৈরব- কুলিয়ারচরের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করতে পারেননি, এমনটাই বলেছেন জনগন। শেখ হাসিনার নিকটআত্মীয় ছিল জিল্লুর রহমানের পরিবার। একারনে বার বার তারা দলের মনোনয়ন পেত।  ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। স্বৈরাচার হাসিনা সরকার থেকে বিদায় নিয়ে দেশ থেকে পালিয়েছে। 

দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সংসদ সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবেনা। অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় এবার এদলের কেউ নির্বাচনে অংশ নেবেনা সারা দেশে। 

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা মোট ৯ জন। তার মধ্য উল্লেখযোগ্য প্রার্থী বিএনপির মোঃ শরীফুল আলম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দলের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিন। তিনি জামায়েত ইসলামী দলের জোটের প্রার্থী। একারনে এই আসনে জামায়েত ইসলামী দলের কোন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আতাউল্লাহ আমিনকে সমর্থন দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দলের আরও ৭ জন প্রার্থী থাকলেও তাদের প্রচারণা মাঠে তেমন একটা দেখা যাচ্ছেনা। 

নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিন গত ২২ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভৈরবের জনসভায় বক্তৃতা করে ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলমকে ভোট দেয়ার আহবান করে গেছেন। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলেই এলাকার উন্নয়ন হবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। অপরদিকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিন এলাকায় প্রচারণা শুরু করেছেন। বিএনপির প্রার্থী শরীফুল আলম ইতিপূর্বে ২০০৬ সাল থেকে ৪ বার প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলেও বার বার পরাজিত হয়েছেন। তার অভিযোগ ভোট ডাকাতি করে  তাকে পরাজিত করা হয়েছে। শরীফুল আলম ভৈরব – কুলিয়ারচর এলাকায় ২৫ বছর যাবত পরিচিত মুখ। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দি আতাউল্লাহ আমিনসহ বাকী ৮ জন প্রার্থী ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নয়। ফলে নির্বাচনে অপ্রতিদ্বন্দি প্রার্থী শরীফুল আলম। ভোটারদের কাছে তিনি একজন ভাল ও সৎ নেতা হিসেবে জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে আছেন। যেহেতু আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী এবার নেই, তাই শরীফুল আলম ফাঁকা মাঠে গোল করার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনে বর্তমানে যে ৯ জন প্রার্থী মাঠে আছে তাদের মধ্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শরীফুল আলমকে যোগ্য মনে করছেন ভোটারগন। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে। 

ভৈরবের শিক্ষাবিদ মোঃ আবদুল বাসেত যুগান্তরকে জানান, বিগত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারেনি। এবার যোগ্য, সৎ ও ভাল নেতাকে ভোট দিব। এলাকার উন্নয়ন যিনি করতে পারবেন তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন তিনি। বর্তমান প্রার্থীদের মধ্য শরীফুল আলমকে তিনি যোগ্য মনে করেন। 

সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ সোহেলের রহমান একই কথা বলেন। তিনি বলেন শরীফুল আলম সংসদ সদস্য হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তিনি একজন যোগ্য, সৎ নেতা। 

কুলিয়ারচর এলাকার চায়ের দোকানদার মজনু মিয়া বললেন, বিগত দিনের এমপি পাপন জনবিচ্ছিন্ন নেতা ছিলেন। আমি ও আমার পরিবার এবার ভাল, সৎ যোগ্য নেতাকে ভোট দিব। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বললেন, শরীফুল আলমের মত ভাল মানুষ হয়না। আমি তাকে ভোট দিব। 

আবদুর রশিদ নামের এক অটোচালক বলেন, আজেবাজে প্রার্থীকে ভোট দিবনা। যিনি যোগ্য, এলাকার কাজ করতে পারবে তাকে ভোট দিব। 

আবদুল্লাহ নামের একজন চাকুিরীজিবী বলেন, যাকেতাকে ভোট দিয়ে ভোটটি নষ্ট করবনা। আমি ভাল ও যোগ্য নেতাকে ভোট দিব। 

হানিফ মিয়া নামের একজন কৃষক বলেন, গত ১৫ বছর আমি ভোট দিতে পারেনি, এবার বিএনপির প্রার্থী শরীফুল আলমকে ভোট দিব। 

মুদি দোকানদার সাকিব আলী সরাসরি বলেন, রাখঢাক করে লাভ নেই। আমি যোগ্য প্রার্থী শরীফুল আলমকে ভোট দিতে চাই। ভৈরব চেম্বারের সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদ বলেন, শরীফুল আলমকে একবার ভোট দিয়ে বিজয়ী করে তার কাজ দেখতে চাই। ভৈরব বাজারের শ্রমিক খোকন মিয়া বলেন, শরীফুল আলম বিএনপির বড় নেতা। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীরা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কোন লক্ষণ দেখতে পারছিনা। এলাকার অধিকাংশ ভোটার শরীফুল আলমকে পছন্দ করে, তাই আমিও তাকে ভোট দিতে চাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মৌলানা বলেন, ইসলামের শাষন প্রতিষ্ঠা করতে আমি আতাউল্লাহ আমিনকে ভোট দিব। তিনি বিজয়ী হবেন কিনা আমি জানিনা। তবে আমি তাকে ভোট দিতে চাই। 

ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, গত ১৫ বছর ভোট ডাকাতি না হলে শরীফুল আলম অনেক আগেই সংসদ সদস্য হতেন। ভোটারগন সচেতন আছে। এবারের নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন, এমন প্রত্যাশা আমাদের। কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান একই কথা বলেন। 

বিএনপির প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম বলেন, আমি ২৫ বছর যাবত মাঠে থেকে জনগনের সেবা করছি। মামলা হামলা অত্যাচার সহ্য করেছি। ৪ বার নির্বাচন করেও ভোট ডাকাতির কারনে বিজয়ী হতে পারেনি। এবার আমার প্রত্যাশ