এবারের  নির্বাচন বানচাল করতে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশের মানুষকে স্বাবলম্বি করা হবে। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯২ Time View

২৩ জানুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

তারেক রহমান বলেন,  ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি, এবারের নির্বাচন বানচাল করতে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, সবাই সজাগ থাকুন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর পাহারা দিবেন এবং  ভোট গণনা শেষ করে ফলাফল ঘোষনা  না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেননা। আপনারা দেশের উন্নয়ন চাইলে বিএনপির মার্কা ধানের শীষে ভোট দিবেন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশের মানুষকে স্বাবলম্বি করা  হবে। এছাড়াও বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষকে  ফ্যামেলী কার্ড দিয়ে আর্থিক সুবিধা দেয়া, নতুন করে খাল খনন, কৃষকদেরকে কৃষি কার্ড প্রদান, বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাসহ নানা কর্মসূচী গ্রহন করা হবে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টায় ভৈরবের স্টেডিয়াম মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণার প্রথম দিনে সকালে সিলেট জনসভা করার পর হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক জনসভা শেষ করে রাত ১২.১০ মিনিটে ভৈরবের স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছেন তিনি। এসময় শীত ও কষ্ট  উপেক্ষা করে মাঠে  লাখো জনতা ও নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তিনি জনসভাস্থলে উপস্থিত হলে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন তারেক রহমানের আগমন, স্বাগতম স্বাগতম, ধানের শীষ, ধানের শীষ, তারেক রহমান এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার পাশে। এসময় তারেক রহমান জনতাকে হাত নেড়ে অভিবাধন জানান এবং জনসভাস্থলে পৌঁছতে ৭ ঘন্টা বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। 

  তারেক রহমান বক্তৃতার সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ৬ টি আসনের মধ্য ৫ টি আসনের ৫ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদেরকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান তিনি। তার মধ্য কিশোরগঞ্জ-৪ ( ইটনা- মিটামইন- অষ্টগ্রাম) আসনের প্রার্থী মোঃ ফজলুর রহমান ভৈরবে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাজিতপুর জুহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। একারনে তিনি সভায় উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানানো হয় সভায়। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি আয়োজিত  ভৈরবের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম। সভায় ৫ জন বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার নেতৃবৃন্দসহ  ১৩ টি উপজেলার বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ দলের অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জনসভাস্থলটি আইনশৃংখলা বাহিনী আগে থেকেই নিরাপত্তার চাদরে সুরক্ষিত করে রাখে। এসময় পুলিশ, Rab, সহ অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনী মঞ্চসহ জনসভার পুরা এলাকা নিরাপত্তায় ছিল। 

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জনসভায় আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতে এখনও গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি একটি দলের সমালোচনা করে বলেন ৭১ সালে এদলের নেতারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করে মানুষ হত্যার সাথে জড়িত ছিল। তখন নারী ধর্ষন, অগ্নিসংযোগ করে তারা অপরাধ করলেও তাদের অনুসুচনা নেই। এখন তারা বেহেশ্তের টিকিটের কথা বলে জনগনের কাছে ভোট চেয়ে শিরিক গুনাহ করছেন। এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদলটি কি করেছে তা জনগন জানে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর এদেশের  মানুষ ভোট দিতে পারেনি, দিনের ভোট রাতে ডাকাতি  হয়েছে। এবারের নির্বাচনে  পোষ্টাল ব্যালট ডাকাতির জন্য ষড়যন্ত্র চলছে। তাই ভোট ডাকাতি রুখতে হবে। বিগত সরকার ১৫ বছরে রাস্তাঘাটসহ শিক্ষা, বিদ্যুত, বেকারত্ব,  অর্থনৈতিক কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। তারা দেশ ধ্বংস করে লুটপাট, দুর্নীতি করে দেশের বিপুল পরিমান টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে লাখ লাখ মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে, নির্যাতন, অত্যাচার করেছে। এই বিধ্বস্ত দেশকে বাঁচাতে হলে বিএনপির বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য তিনি সকলকে আহবান জানান। 

 বক্তৃতা শেষ করে রাত পৌনে ১ টায়  তিনি মঞ্চ থেকে নেমে  ভৈরবসহ কিশোরগঞ্জ জেলার  জুলাই যুদ্ধা যারা আহত ও পঙ্গু হয়ে আছে তাদের বসার স্থানে গিয়ে স্বচক্ষে দেখেন ও তাদের সাথে কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ- ৬ আসনের মনোেনিত প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদরের মনোনিত প্রার্থী মোঃ মাজহারুল ইসলাম, করিমগঞ্জ- তাড়ালের প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ড, ওসমান ফারুক, পাকুন্দিয়া – কটিয়াদির প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দিন, বাজিতপুর- নিকলির প্রার্থী এহছানুল হুদা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির  সদস্য লাইলা বেগম, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও চলচ্চিত্র নায়ক হেলাল খান, ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ভিপি মুজিবুর রহমান, ভিপি সাইফুল হক    সহ জেলা উপজেলার নেতাকর্মীগন। এছাড়াও সভায়   প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। 

জনসভা শেষ করে রাত ১ টায় তারেক রহমান ভৈরব থেকে  ঢাকার পথে রাওয়ানা দেন। তিনি যাওয়ার পথে নরসিংদি ও নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জে জনসভায় বক্তৃতা করে গেছেন বলে দলীয় সূত্র জানায়। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

এবারের  নির্বাচন বানচাল করতে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশের মানুষকে স্বাবলম্বি করা হবে। 

Update Time : ১২:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

২৩ জানুয়ারি, নিজস্ব  প্রতিনিধি

তারেক রহমান বলেন,  ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি, এবারের নির্বাচন বানচাল করতে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, সবাই সজাগ থাকুন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর পাহারা দিবেন এবং  ভোট গণনা শেষ করে ফলাফল ঘোষনা  না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেননা। আপনারা দেশের উন্নয়ন চাইলে বিএনপির মার্কা ধানের শীষে ভোট দিবেন। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশের মানুষকে স্বাবলম্বি করা  হবে। এছাড়াও বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষকে  ফ্যামেলী কার্ড দিয়ে আর্থিক সুবিধা দেয়া, নতুন করে খাল খনন, কৃষকদেরকে কৃষি কার্ড প্রদান, বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাসহ নানা কর্মসূচী গ্রহন করা হবে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টায় ভৈরবের স্টেডিয়াম মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণার প্রথম দিনে সকালে সিলেট জনসভা করার পর হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক জনসভা শেষ করে রাত ১২.১০ মিনিটে ভৈরবের স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছেন তিনি। এসময় শীত ও কষ্ট  উপেক্ষা করে মাঠে  লাখো জনতা ও নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তিনি জনসভাস্থলে উপস্থিত হলে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন তারেক রহমানের আগমন, স্বাগতম স্বাগতম, ধানের শীষ, ধানের শীষ, তারেক রহমান এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার পাশে। এসময় তারেক রহমান জনতাকে হাত নেড়ে অভিবাধন জানান এবং জনসভাস্থলে পৌঁছতে ৭ ঘন্টা বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। 

  তারেক রহমান বক্তৃতার সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ৬ টি আসনের মধ্য ৫ টি আসনের ৫ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদেরকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান তিনি। তার মধ্য কিশোরগঞ্জ-৪ ( ইটনা- মিটামইন- অষ্টগ্রাম) আসনের প্রার্থী মোঃ ফজলুর রহমান ভৈরবে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাজিতপুর জুহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। একারনে তিনি সভায় উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানানো হয় সভায়। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি আয়োজিত  ভৈরবের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম। সভায় ৫ জন বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার নেতৃবৃন্দসহ  ১৩ টি উপজেলার বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ দলের অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জনসভাস্থলটি আইনশৃংখলা বাহিনী আগে থেকেই নিরাপত্তার চাদরে সুরক্ষিত করে রাখে। এসময় পুলিশ, Rab, সহ অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনী মঞ্চসহ জনসভার পুরা এলাকা নিরাপত্তায় ছিল। 

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জনসভায় আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতে এখনও গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি একটি দলের সমালোচনা করে বলেন ৭১ সালে এদলের নেতারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করে মানুষ হত্যার সাথে জড়িত ছিল। তখন নারী ধর্ষন, অগ্নিসংযোগ করে তারা অপরাধ করলেও তাদের অনুসুচনা নেই। এখন তারা বেহেশ্তের টিকিটের কথা বলে জনগনের কাছে ভোট চেয়ে শিরিক গুনাহ করছেন। এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদলটি কি করেছে তা জনগন জানে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর এদেশের  মানুষ ভোট দিতে পারেনি, দিনের ভোট রাতে ডাকাতি  হয়েছে। এবারের নির্বাচনে  পোষ্টাল ব্যালট ডাকাতির জন্য ষড়যন্ত্র চলছে। তাই ভোট ডাকাতি রুখতে হবে। বিগত সরকার ১৫ বছরে রাস্তাঘাটসহ শিক্ষা, বিদ্যুত, বেকারত্ব,  অর্থনৈতিক কোন উন্নয়ন করতে পারেনি। তারা দেশ ধ্বংস করে লুটপাট, দুর্নীতি করে দেশের বিপুল পরিমান টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে লাখ লাখ মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে, নির্যাতন, অত্যাচার করেছে। এই বিধ্বস্ত দেশকে বাঁচাতে হলে বিএনপির বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য তিনি সকলকে আহবান জানান। 

 বক্তৃতা শেষ করে রাত পৌনে ১ টায়  তিনি মঞ্চ থেকে নেমে  ভৈরবসহ কিশোরগঞ্জ জেলার  জুলাই যুদ্ধা যারা আহত ও পঙ্গু হয়ে আছে তাদের বসার স্থানে গিয়ে স্বচক্ষে দেখেন ও তাদের সাথে কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ- ৬ আসনের মনোেনিত প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদরের মনোনিত প্রার্থী মোঃ মাজহারুল ইসলাম, করিমগঞ্জ- তাড়ালের প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ড, ওসমান ফারুক, পাকুন্দিয়া – কটিয়াদির প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দিন, বাজিতপুর- নিকলির প্রার্থী এহছানুল হুদা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির  সদস্য লাইলা বেগম, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও চলচ্চিত্র নায়ক হেলাল খান, ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ভিপি মুজিবুর রহমান, ভিপি সাইফুল হক    সহ জেলা উপজেলার নেতাকর্মীগন। এছাড়াও সভায়   প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। 

জনসভা শেষ করে রাত ১ টায় তারেক রহমান ভৈরব থেকে  ঢাকার পথে রাওয়ানা দেন। তিনি যাওয়ার পথে নরসিংদি ও নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জে জনসভায় বক্তৃতা করে গেছেন বলে দলীয় সূত্র জানায়।