০২ জানুয়ারি, নিজস্ব প্রতিনিধি।
ভৈরবে পুলিশের হাত থেকে সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী সোহাগ (৫০) কে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টায় এস আই শাহাদাৎ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছে। মামলায় প্রধান আসামী করা হয় মোহাম্মদ আলী সোহাগকে। এজাহারে উল্লেখকৃত অন্য আসামীরা হলো সোহাগের স্ত্রী লিমা বেগম, উজ্জল, নাদিম, রাকিব ও জনি। ঘটনার সময় হামলাকারীদের হাতে দুই পুলিশের এস আই শাহাদাৎ হোসেন ও আসিবুল হক আহত হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এব্যাপারে এস আই শাহাদাৎ হোসেন এই প্রতিনিধিকে জানান, সরকারের চলমান বিশেষ নিরাপত্তা অভিযান অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২ এর অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ভৈরব শহরের কমলপুর এলাকার গাছতলা ঘাট মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভৈরব থানা পুলিশ।
অভিযান চলাকালে ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী সোহাগকে আটক করা হয়। এসময় পুলিশ তাকে থানায় নেওয়ার আগেই তার সমর্থক ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা এলাকায় হট্রগোল ত্রাস সৃষ্টি করে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় সোহাগকে। আটককৃত সোহাগের বাসাও ওই এলাকায়। তিনি বলেন ঘটনার সময় হামলাকারীদের আক্রমনে দুই পুলিশ অফিসার আহত হয়। আটককৃত এই ফ্যাসিস্ট কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে ও লিস্টেট তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে জানান তিনি। এই ঘটনায় আজ শুক্রবার রাতে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় একটি মামলা করা হয় ( মামলা নং ১)।
এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) আতাউর রহমান আকদ মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আসামীরা সরকারী কাজে বাধাসহ পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানের সময় কাউন্সিলর সোহাগকে পুলিশ আটক করার পর হামলাকারীরা ত্রাস সৃষ্টি করে তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘটনাটি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আজ শুক্রবার রাতে মামলাটি করা হয় বলে তিনি জানান।
Reporter Name 









