৩ নভেম্বর, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে পাদুকা শিল্পে সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে উদোক্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুর ১টায় উপজেলা মিলনায়তনে পপির স্মার্ট প্রকল্পের আয়োজনে ভৈরবে পাদুকা শিল্পে সম্ভাবনাময় ও সমস্যা নিয়ে উদোক্তাদের সাথে মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন বলেন, ভৈরবের উৎপাদিত পাদুকা সারা দেশে কদর রয়েছে। দেশের নামী দামী ব্যান্ডে এখানকার উৎপাদিত পাদুকা সরবরাহ হয়ে থাকে। তবে এই শিল্পের উদোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে ভৈরবের পাদুকা বিপণনের মাধ্যমে নিজস্ব ব্যান্ড তৈরি করতে হবে। যার মাধ্যমে বিশ্ব বাজারের সাথে পাদুকা শিল্পের অগ্রসর হতে পারবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন, ভৈরব পৌরসভার সচিব মো.ফারুক হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জলি বোদন তৈয়বা, ভৈরব ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা আজিজুল হক রাজন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রিফাত জাহান ত্রপা, সমবায় কর্মকর্তা রুবাইয়া বেগম প্রমূখ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ভৈরব পাদুকা কারখানা মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আলামিন, সাধারণ সম্পাদক মো.আল আমিন, ভৈরব পিও কারখানা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাহারুল আলম বাচ্চু প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন,পপি স্মার্ট প্রকল্প কর্মকর্তা মো.বাবুল হোসেন।
এসময় পাদুকা ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, জানান, ভৈরবের পাদুকা দেশের সকল বিভাগীয় শহরসহ বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। তবে বর্তমানে এই শিল্পে দক্ষ শ্রমিকের সংকট রয়েছে। দেশের সম্ভাবনাময় শিল্পটিকে রপ্তানি মূখী করতে হলে পাদুকা শ্রমিকদের আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ একটি স্থায়ী প্রশিক্ষণ সেন্টার স্থাপনের দাবি জানান তারা। এছাড়াও পাদুকা সেক্টরে সম্ভাবনা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের গত জুন মাস থেকে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) কারিগরী সহযোগিতায় সাসটেইনেবল প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট শীর্ষক উপ-প্রকল্পটি পাদুকা শিল্পের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের ভৈরব, কুলিয়ারচর উপজেলার ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর ও আশুগঞ্জ উপজেলায় বাস্তবায়নের জন্য চুক্তিবন্ধ হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তি নির্ভর ও পরিবেশসম্মত এবং সম্পদের কার্যকরী ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন উৎপাদন করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগসমূহে সবুজ প্রবৃদ্ধি সঞ্চার করার লক্ষ্যে স্মার্ট প্রকল্পটি গৃহীত হয়েছে। ৩ বছর মেয়াদী (২০২৫-২০২৮) এই প্রকল্পটি পাদুকা খাতের অন্তর্ভুক্ত ১ হাজার ৭ শত টি ক্ষুদ্র উদ্যোগে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত মান অক্ষুন্ন রেখে ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোর সম্পদ সহায় ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিতে কাজ করবে ।
Reporter Name 









