ভৈরবের ফল ব্যবসায়ী পারভেজের পাল্টা দাবি তার পার্টনারের কাছে ২ কোটি টাকা পাওনা। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫৮ Time View

৫ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবের ফল ব্যবসায়ী আনোয়ার পারভেজের  পাল্টা দাবি তার পার্টনার আবুল কালামের নিকট ২ কোটি টাকা পাওনা আছে। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে তাকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়ে উল্টো ৪ কোটি টাকা পাবে প্রচার করছে কালাম । এমনকি গত সোমবার সংবাদ সন্মেলন করে আবুল কালাম তার  সন্মান নষ্ট করেছে বলে পারভেজের দাবি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ফল ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার পারভেজ এক সংবাদ সন্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফরিদ মিয়া, তোফাজ্জল হোসেন সোহেল, নাজমুল হাসান। 

আনোয়ার পারভেজ অভিযোগ করে বলেন, ২০০২ সালে আবুল কালামের সাথে এক লাখ টাকা দিয়ে ফল ব্যবসায় পাটনার হন। তখন তারা ৭ জন পার্টনার ছিলেন। সেই সময় তার অংশ ছিল ১০%। কয়েক বছর পর ৫ জন পার্টনারকে আবুল কালাম বের করে দেন। এরপর পারভেজ আরও ৭ লাখ টাকা পুজিঁ দিয়ে ৩০% অংশীদার হন। ব্যবসা চলাকালীন তিনি শুধু মাসিক খরচ নিতেন। কখনও মুনাফা নেয়নি। ব্যবসার তহবিল থেকে তার পার্টনার আবুল কালাম  গত ২২ বছরে প্রচুর টাকা নিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন। এখন আমি বাড়ীতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে মুনাফার টাকা চাইলে তিনি বলেন আমি ম্যানেজার ছিলাম, কোন পার্টনার ছিলামনা। এক পর্যায়ে আমাকে ব্যবসা থেকে বের করে দেন। আবুল কালাম আমার বন্ধু শুভাকাংখি ছিল বলে তার সাথে আমি কোনরকম লিখিত পার্টনার চুক্তি করেনি। তবে ফল বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্য অনেকেই আমাদের পার্টনারশীপ  ঘটনাটি অবগত আছে। বিষয়টি আমি সামাজিকভাবে সবাইকে জানিয়েছি। তিনি বলেন আবুল কালাম স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের দিয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন, যাতে আমার পাওনা ২ কোটি টাকা না দিতে হয়। প্রশাসন ও সমাজের কাছে তার দাবি পাওনা ২ কোটি টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করে দিতে। 

এবিষয়ে তার পার্টনার  আবুল কালাম জানান, আনোয়ার পারভেজ কখনও আমার পার্টনার ছিলনা। সে ছিল আমার প্রতিষ্ঠানের বেতনভূক্ত  ম্যানেজার কর্মচারি। তিনি যদি পার্টনার হত তাহলে লিখিত দলিল থাকত বা স্বাক্ষী থাকত। ফল বাজারের লোকজন সবাই জানে পারভেজ আমার কর্মচারী। গত ২২ বছরে সে আমার ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমি লেখাপড়া তেমন জানিনা। তাকে বিশ্বাস করে লেনদেন করেছি। এখন সন্দেহ হলে আমার ছেলে হিসাব দেখার পর টাকা আত্মসাৎ ঘটনা উদঘাটন  হয়। আমার পাওনা পরিশোধ না করে সে এখন তার বাড়ীতে ৫ তলা বিল্ডিং করছে। আমার পাওনা টাকা না দিতে এখন উল্টো দাবি করছে টাকা পাবে।  

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ভৈরবের ফল ব্যবসায়ী পারভেজের পাল্টা দাবি তার পার্টনারের কাছে ২ কোটি টাকা পাওনা। 

Update Time : ০৯:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

৫ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবের ফল ব্যবসায়ী আনোয়ার পারভেজের  পাল্টা দাবি তার পার্টনার আবুল কালামের নিকট ২ কোটি টাকা পাওনা আছে। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে তাকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়ে উল্টো ৪ কোটি টাকা পাবে প্রচার করছে কালাম । এমনকি গত সোমবার সংবাদ সন্মেলন করে আবুল কালাম তার  সন্মান নষ্ট করেছে বলে পারভেজের দাবি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ফল ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার পারভেজ এক সংবাদ সন্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফরিদ মিয়া, তোফাজ্জল হোসেন সোহেল, নাজমুল হাসান। 

আনোয়ার পারভেজ অভিযোগ করে বলেন, ২০০২ সালে আবুল কালামের সাথে এক লাখ টাকা দিয়ে ফল ব্যবসায় পাটনার হন। তখন তারা ৭ জন পার্টনার ছিলেন। সেই সময় তার অংশ ছিল ১০%। কয়েক বছর পর ৫ জন পার্টনারকে আবুল কালাম বের করে দেন। এরপর পারভেজ আরও ৭ লাখ টাকা পুজিঁ দিয়ে ৩০% অংশীদার হন। ব্যবসা চলাকালীন তিনি শুধু মাসিক খরচ নিতেন। কখনও মুনাফা নেয়নি। ব্যবসার তহবিল থেকে তার পার্টনার আবুল কালাম  গত ২২ বছরে প্রচুর টাকা নিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন। এখন আমি বাড়ীতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে মুনাফার টাকা চাইলে তিনি বলেন আমি ম্যানেজার ছিলাম, কোন পার্টনার ছিলামনা। এক পর্যায়ে আমাকে ব্যবসা থেকে বের করে দেন। আবুল কালাম আমার বন্ধু শুভাকাংখি ছিল বলে তার সাথে আমি কোনরকম লিখিত পার্টনার চুক্তি করেনি। তবে ফল বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্য অনেকেই আমাদের পার্টনারশীপ  ঘটনাটি অবগত আছে। বিষয়টি আমি সামাজিকভাবে সবাইকে জানিয়েছি। তিনি বলেন আবুল কালাম স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের দিয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন, যাতে আমার পাওনা ২ কোটি টাকা না দিতে হয়। প্রশাসন ও সমাজের কাছে তার দাবি পাওনা ২ কোটি টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করে দিতে। 

এবিষয়ে তার পার্টনার  আবুল কালাম জানান, আনোয়ার পারভেজ কখনও আমার পার্টনার ছিলনা। সে ছিল আমার প্রতিষ্ঠানের বেতনভূক্ত  ম্যানেজার কর্মচারি। তিনি যদি পার্টনার হত তাহলে লিখিত দলিল থাকত বা স্বাক্ষী থাকত। ফল বাজারের লোকজন সবাই জানে পারভেজ আমার কর্মচারী। গত ২২ বছরে সে আমার ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমি লেখাপড়া তেমন জানিনা। তাকে বিশ্বাস করে লেনদেন করেছি। এখন সন্দেহ হলে আমার ছেলে হিসাব দেখার পর টাকা আত্মসাৎ ঘটনা উদঘাটন  হয়। আমার পাওনা পরিশোধ না করে সে এখন তার বাড়ীতে ৫ তলা বিল্ডিং করছে। আমার পাওনা টাকা না দিতে এখন উল্টো দাবি করছে টাকা পাবে।