ভৈরবে নির্বাচনী পথসভায় আল্লামা মামুনুল হক
৫ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব প্রতিনিধি
জুলাই বিপ্লবের সাথে একটি গোস্টি ও দল বিশ্বাসঘাতকতা করছে, তারা গণভোটে হাঁ পক্ষে প্রচার করছেনা। এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের নির্বাচন নয়, এনির্বাচন নতুন বন্দোবস্তোর আমুল পরিবর্তনের নির্বাচন। দেশ ও জনগনের কথা বিবেচনা করে সকলেই গণভোটে হাঁ ভোট দেয়ার পাশাপাশি ১১ দলীয় জোটের কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনকে রিক্সা মার্কায় ভোট দিন। রিক্সা মার্কা বিজয়ী হলে ভৈরব জেলা বাস্তাবায়নসহ এলাকার সকল উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি মাদক, দখলবাজি, চাদাঁবাজি, সন্ত্রাস দমনে কাজ করবেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় স্থানীয় এমপি গার্লস হাইস্কুল মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ভৈরব শাখা আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যজোট কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব- কুলিয়ারচর) আসনের প্রার্থী মৌলানা আতাউল্লাহ আমিন এর নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে খেলাফত মজলিস দলের আমির আল্লামা মামুনুল হক এসব কথা বলেন। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়েত ইসলামী দলে সদ্য যোগদানকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ( অবঃ) আক্তারুজ্জামান রন্জন, আরেক যোগদানকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী ও ভৈরব মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদ, ভৈরবের নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল, জনতার দল নেতা এন কে সোহেল, জামেয়েত ইসলামী, পৌর আমির শাহজাহান, এনসিপি নেতা শরীফুল হক জয় প্রমূখ। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ভৈরব উপজেলা জামায়েত ইসলামী দলের আমির মৌলানা মোঃ, কবির হোসেন। এসময় মৌলানা মামুনুল হক কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা আতাউল্লাহ আমিনকে পরিচয় করিয়ে তাকে রিক্সা মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি। পথসভায় দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ( অবঃ) আক্তারুজ্জামান রন্জন ও মোঃ রফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মৌলানা মামুনুল হক আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছরের শাসনামলে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্য রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। শাসকের ধর্ম পরিচয় বদল হয়েছে, গায়ের রং পরিবর্তন হয়েছে কিন্ত শোষনের পরিবর্তন হয়নি। আগে ইংরেজরা সম্পদ বিলেতে নিয়ে যেত, কলকাতার দাদা বাবুরা সম্পদ চুরি করে কলকাতাকে উন্নত করেছে, পাকিস্তানি খান পাঠানরা এদেশের সম্পদ লুট করে পাকিস্তানকে সমৃদ্ধ করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী শাষকরা দেশের বিপুল সম্পদ লুটপাট, দুর্নীতি করে বিদেশে বেগমপাড়া বানিয়েছে। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার গুম, খুন করে দেশকে মৃত্যুপরিণত করেছে। মানুষ ১৫ বছর ভোট দিতে পারেনি। যার পরিণতি হয়েছে হাসিনার পলায়ন। জুলাই পরবর্তীতে গণঅভর্থ্যুনের পর আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম। সেই স্বপ্ন পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখের নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে ভোট দেয়াসহ হাঁ ভোট দিয়ে দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার আহবান জানান তিনি।
Reporter Name 









