২ জানুয়ারী, নিজস্ব প্রতিনিধি
ভৈরবে ডাকাতের হামলা থেকে বাঁচতে গিয়ে সজল মিয়া (২০) নামের এক যুবক বাইক দূর্ঘটনায় প্রাণ গেল। এসময় গুরুতর আহত হয় রামিম (১৭)। সম্পর্কে নিহত যুবকের ফুফাত ভাই রামিম। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বাঁশগাড়ী গ্রামের সংযোগ সেতুর সামনে। নিহত সজল উপজেলার গোছামারা গ্রামের চাঁন মিয়া ওরফে চান্দুর ছেলে। সে পেশায় অটোচালক বলে তার পরিবার সূত্র জানায়। আহত রামিমের বাড়ী উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামে। ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে বৃহস্পতিবার রাতেই ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তারগন রেফার্ড করে। তবে ঘটনার সময় প্রাণে বেঁচে যায় সজলের চাচাত ভাই জোনায়েত (১৮)। তারা তিনজনই ঘটনার সময় চলন্ত বাইকে ছিল বলে জানা গেছে।
বেঁচে যাওয়া জোনায়েত এই প্রতিনিধিকে জানান, আমার চাচাত ভাই সজল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমাকে নিয়ে তার ফুফুর বাড়ী কালিকাপ্রসাদের কুমিরমারা গ্রামে যায়। সেখান থেকে রাত ১০ টায় তার ফুফার বাইক নিয়ে ফুফাত ভাই জোনায়েতকে সাথে নিয়ে আমরা তিনজন বাড়ীতে ফেরার পথে গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ী সংযোগ সেতুর কাছে পৌঁছলে রাস্তায় একদল ডাকাত দেখতে পায়। এসময় ডাকাতদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। এসময় সজল বাইকটি চালাচ্ছিল। ডাকাতদের দেখে ভয়ে সে বাইকটি উল্টোপথে ঘূরিয়ে বিপরীত রাস্তা দিয়ে অন্ধকারের মধ্য দ্রুত গতিতে চালাতে থাকলে একটি গাছের সাথে প্রচন্ড ধাক্কা খেলে ঘটনাস্থলেই সজল নিহত হয়। এসময় তার ফুফাত ভাই রামিম গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে রাতেই স্থানীয়রা দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সজলকে মৃত ঘোষনা করে। গুরুতর আহত রামিমকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করে। তবে জোনায়েত সামান্য আহত হয় বলে সে জানায়।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ আতাউর রহমান আকদ জানান, খবর পেয়ে আমি রাতেই পুলিশসহ হাসপাতালে যায়। ডাকাতের হামলাতে ঘটনাটি ঘটেছে এমন অভিযোগ নিহতের পরিবার করেনি। ঘটনার সময় প্রচন্ড শীতের মধ্য রাত ১০ টায় হেলমেট ছাড়া একটি বাইকে তিন জন আরোহী দ্রুতবেগে গাড়ী চালানোর কারনেই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহতের বাবা এবিষয়ে কোন অভিযোগ দিতে রাজী হয়নি। পরে তার বাবার লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
Reporter Name 









