ভৈরবে  বেসরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০৪ Time View

১৫ ডিসেম্বর, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবে শিশুদের প্রতি বৈষম্য দূর করতে শুরু হয়েছে দঅবেসরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষা। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় পৌর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভৈরব উপজেলার ৬৩টি স্কুলের ৫৩৩জন শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। পরীক্ষা পরিচালনা করতে ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহের সিদ্ধান্তে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমানকে আহ্বায়ক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী রেজাউল হাসানকে সদস্য সচিব করে বেসরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কমিটি গঠন করা হয়। আজ  সোমবার প্রথম বাংলা পরীক্ষা ও পর্যায়ক্রমে ১৭, ১৮ ও ২০ ডিসেম্বর বাকি পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিক্ষায় অংশগ্রহণ ও অবিভাবকদের বিদ্যালয় গেটে উপস্থিতির মাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। পরীক্ষার চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে. এম. মামুনুর রশিদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান, সদস্য সচিব ও শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী রেজাউল হাসান, পৌর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এম এ মোহিত,  ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহে পক্ষে দায়িত্বে থাকা ব্লু-বার্ড কিন্ডারগার্টেন এর পরিচালক সাংবাদিক সুমন মোল্লা, উদয়ন স্কুল এর পরিচালক সাগর রহমান প্রমুখ।

অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণে খুশি হলেও তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, শুধু কি সরকারি প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষার্থীদের মেধা আছে? দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী বেসরকারি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে দেশের সরকারি দায়িত্ব পালন করছে। শিশুদের সাহস বৃদ্ধি ও মেধা যাচাইয়ে জন্য সরকারকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া দরকার ছিল। বেসরকারি স্কুলে পড়ে বলে কি আমাদের সন্তানরা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আমরা চাই সরকার আগামী দিনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের জন্য প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করবে।

এ দিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা সরকারিভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুযোগ পাইনি। তবে বেসরকারিভাবে আজকে প্রথম বাংলা পরীক্ষা দিয়েছি। আশা করি আমরা বৃত্তি পাবো। আমরা চাই আমাদের মতো যেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। সরকার আগামীদিনের শিক্ষার্থীদের যেন সরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দেন।

হল সুপার ও ব্লু-বার্ড কিন্ডারগার্টেন পরিচালক সুমন মোল্লা বলেন, এই বছর বেসরকারি স্কুলগুলোকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই কারণে ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহের উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিদর্শনে আসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে. এম. মামুনুর রশীদ বলেন, অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি দুইটিই একে অপরের পরিপূরক। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে সাবেক মেয়রের জানাজায় জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ভৈরবে  বেসরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষায়

Update Time : ০৪:২২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

১৫ ডিসেম্বর, নিজস্ব  প্রতিনিধি

ভৈরবে শিশুদের প্রতি বৈষম্য দূর করতে শুরু হয়েছে দঅবেসরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষা। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় পৌর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভৈরব উপজেলার ৬৩টি স্কুলের ৫৩৩জন শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। পরীক্ষা পরিচালনা করতে ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহের সিদ্ধান্তে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমানকে আহ্বায়ক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী রেজাউল হাসানকে সদস্য সচিব করে বেসরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কমিটি গঠন করা হয়। আজ  সোমবার প্রথম বাংলা পরীক্ষা ও পর্যায়ক্রমে ১৭, ১৮ ও ২০ ডিসেম্বর বাকি পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিক্ষায় অংশগ্রহণ ও অবিভাবকদের বিদ্যালয় গেটে উপস্থিতির মাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। পরীক্ষার চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে. এম. মামুনুর রশিদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান, সদস্য সচিব ও শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী রেজাউল হাসান, পৌর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এম এ মোহিত,  ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহে পক্ষে দায়িত্বে থাকা ব্লু-বার্ড কিন্ডারগার্টেন এর পরিচালক সাংবাদিক সুমন মোল্লা, উদয়ন স্কুল এর পরিচালক সাগর রহমান প্রমুখ।

অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণে খুশি হলেও তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, শুধু কি সরকারি প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষার্থীদের মেধা আছে? দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী বেসরকারি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে দেশের সরকারি দায়িত্ব পালন করছে। শিশুদের সাহস বৃদ্ধি ও মেধা যাচাইয়ে জন্য সরকারকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া দরকার ছিল। বেসরকারি স্কুলে পড়ে বলে কি আমাদের সন্তানরা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আমরা চাই সরকার আগামী দিনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের জন্য প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করবে।

এ দিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা সরকারিভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুযোগ পাইনি। তবে বেসরকারিভাবে আজকে প্রথম বাংলা পরীক্ষা দিয়েছি। আশা করি আমরা বৃত্তি পাবো। আমরা চাই আমাদের মতো যেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। সরকার আগামীদিনের শিক্ষার্থীদের যেন সরকারিভাবে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দেন।

হল সুপার ও ব্লু-বার্ড কিন্ডারগার্টেন পরিচালক সুমন মোল্লা বলেন, এই বছর বেসরকারি স্কুলগুলোকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই কারণে ভৈরবের বেসরকারি স্কুল সমূহের উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিদর্শনে আসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে. এম. মামুনুর রশীদ বলেন, অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি দুইটিই একে অপরের পরিপূরক।