কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপির বিজয়ী সংসদ সদস্য শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৮ Time View

১৫ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ  প্রতিনিধি। 

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের বিএনপি’র  সংসদ সদস্য মোঃ শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। তিনি এবারের জাতীয় ও গণভোট নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। শরীফুল আলম কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ( ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  এবার তিনি ৩১ বছর পর এই আসনটি উদ্ধার করেছেন। এর আগে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। তবে ১৯৯১ সালে জিল্লুর রহমানকে পরাজিত করে বিএনপি’র প্রার্থী ডঃ লতিফ ভূইয়া বিজয়ী হয়েছিল। এরপর থেকে আর বিএনপি এই আসনে বিজয়ী হতে পারেননি। যদিও শরীফুল আলম এই আসনে পরবর্তীতে ৪ বার নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন। তবে তার দাবি তাকে ভোট ডাকাতি করে পরাজিত করা হয়েছে। এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেনি এবং সুষ্ঠু, নিরেপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নির্বাচনে  তার নিকটতম প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমিনের চেয়ে ১লাখ ৪৩ হাজার ৬৪ ভোট বেশী পেয়েছেন তিনি। ৩১ বছর পর এই ভিআইপি  আসনটি উদ্ধার করে এবার ইতিহাস গড়লেন তিনি। স্বাধীনতার পর থেকে আসনটিতে জিল্লুর রহমান ৬ বার ও তার পুত্র নাজমুল হাসান পাপন ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

মোঃ শরীফুল আলম দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতি করছেন। তার রাজনীতির জীবনে অনেক অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন সহ্য করেছেন। এখনও তার বিরুদ্ধে আওয়ামী সরকারের আমলের ৭৩ টি মিথ্যা মামলা রয়েছে। একাধিকবার কারাবরণ করেছেন তিনি। কিশোরগঞ্জ জেলায় বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলায় জেলে গেলে জামিনে সহযোগীতাসহ অনেক নেতাকর্মীর পরিবারকে নানাভাবে সহযোগী করেছেন। এবারের নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ৬ টি আসনের মধ্য ৫ টি আসনে বিএনপি ও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন। ৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ে শরীফুল আলমের গুরুত্বপূর্ণ  অবদান ছিল। তারই প্রচেষ্টা, পরিশ্রমের ফসল ৫ আসনের বিজয়। শরীফুল আলম বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এসব বিবেচনায় কিশোরগঞ্জবাসী এবার তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তিনি মন্ত্রী হলে এলাকার উন্নয়নসহ নানা সমস্যা সমাধান হবে, এমনটা মনে করছেন কিশোরগঞ্জবাসী। 

ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। এদাবি শুধু আমাদের নয় জনগনের। একই কথা বলেছেন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান। 

এছাড়া এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের সাথে কথা বললে তাদের দাবি কিশোরগঞ্জের মত গুরুত্বপূর্ন জেলাতে শরীফুল আলমকে মন্ত্রী করা হলে এলাকার উন্নয়ন হবে, দল উপকৃত হবে । শরীফুল আলম একজন সাদা মনের মানুষ, তার কোনরকম হিংসা-বিদ্বেষ নেই।  এলাকার সাধারণ জনগনের প্রত্যাশা শরীফুল আলমকে মন্ত্রী দেয়া হলে এলাকাসহ দেশের জন্য ভাল কাজ  করবেন তিনি। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শরীফুল আলম প্রতিমন্ত্রী হয়ে মূল্যায়িত হলেন।  এলাকায়  চলছে খুশীর বন্যা।। 

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপির বিজয়ী সংসদ সদস্য শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। 

Update Time : ০৬:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৫ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ  প্রতিনিধি। 

কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের বিএনপি’র  সংসদ সদস্য মোঃ শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। তিনি এবারের জাতীয় ও গণভোট নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। শরীফুল আলম কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ( ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  এবার তিনি ৩১ বছর পর এই আসনটি উদ্ধার করেছেন। এর আগে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। তবে ১৯৯১ সালে জিল্লুর রহমানকে পরাজিত করে বিএনপি’র প্রার্থী ডঃ লতিফ ভূইয়া বিজয়ী হয়েছিল। এরপর থেকে আর বিএনপি এই আসনে বিজয়ী হতে পারেননি। যদিও শরীফুল আলম এই আসনে পরবর্তীতে ৪ বার নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন। তবে তার দাবি তাকে ভোট ডাকাতি করে পরাজিত করা হয়েছে। এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেনি এবং সুষ্ঠু, নিরেপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নির্বাচনে  তার নিকটতম প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমিনের চেয়ে ১লাখ ৪৩ হাজার ৬৪ ভোট বেশী পেয়েছেন তিনি। ৩১ বছর পর এই ভিআইপি  আসনটি উদ্ধার করে এবার ইতিহাস গড়লেন তিনি। স্বাধীনতার পর থেকে আসনটিতে জিল্লুর রহমান ৬ বার ও তার পুত্র নাজমুল হাসান পাপন ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

মোঃ শরীফুল আলম দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতি করছেন। তার রাজনীতির জীবনে অনেক অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন সহ্য করেছেন। এখনও তার বিরুদ্ধে আওয়ামী সরকারের আমলের ৭৩ টি মিথ্যা মামলা রয়েছে। একাধিকবার কারাবরণ করেছেন তিনি। কিশোরগঞ্জ জেলায় বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলায় জেলে গেলে জামিনে সহযোগীতাসহ অনেক নেতাকর্মীর পরিবারকে নানাভাবে সহযোগী করেছেন। এবারের নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ৬ টি আসনের মধ্য ৫ টি আসনে বিএনপি ও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন। ৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ে শরীফুল আলমের গুরুত্বপূর্ণ  অবদান ছিল। তারই প্রচেষ্টা, পরিশ্রমের ফসল ৫ আসনের বিজয়। শরীফুল আলম বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এসব বিবেচনায় কিশোরগঞ্জবাসী এবার তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তিনি মন্ত্রী হলে এলাকার উন্নয়নসহ নানা সমস্যা সমাধান হবে, এমনটা মনে করছেন কিশোরগঞ্জবাসী। 

ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শরীফুল আলমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। এদাবি শুধু আমাদের নয় জনগনের। একই কথা বলেছেন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান। 

এছাড়া এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের সাথে কথা বললে তাদের দাবি কিশোরগঞ্জের মত গুরুত্বপূর্ন জেলাতে শরীফুল আলমকে মন্ত্রী করা হলে এলাকার উন্নয়ন হবে, দল উপকৃত হবে । শরীফুল আলম একজন সাদা মনের মানুষ, তার কোনরকম হিংসা-বিদ্বেষ নেই।  এলাকার সাধারণ জনগনের প্রত্যাশা শরীফুল আলমকে মন্ত্রী দেয়া হলে এলাকাসহ দেশের জন্য ভাল কাজ  করবেন তিনি।