১৩ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ-৬ ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে নির্বাচনে এবার ৯ জন প্রার্থীর মধ্য ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে তারা হলো বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে মার্কার প্রার্থী ডাঃ মোঃ হাবিল মিয়া ( প্রাপ্ত ভোট – ৩১২), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ আপেল মার্কার প্রার্থী নাঈমুল হাসান ( প্রাপ্ত ভোট – ৬৩০), জাতীয় পার্টি লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী মোহাম্মদ আয়ূব হোসেন ( প্রাপ্ত ভোট – ৮০৬) , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মোহাম্মদ মুছা খান ( প্রাপ্ত ভোট- ২৪১১), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি আম মার্কার প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম ( প্রাপ্ত ভোট – ১৮৫) , বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোমবাতি মার্কার প্রার্থী মোঃ রুবেল হোসেন ( প্রাপ্ত ভোট – ২১৭২) , গণফোরাম উদীয়মান সূর্য মার্কার প্রার্থী শাফিউদ্দিন আহাম্মদ ( প্রাপ্ত ভোট -২২০)। তারা ৭ জন প্রার্থী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় ও গণভোট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট পায়নি। নির্বাচনের বিধি মোতাবেক কোন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে।
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে ( ভৈরব-কুলিয়ারচর) সর্বমোট বৈধ প্রদত্ত ভোটের পরিমান ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৯০ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৭.০৩%। প্রদত্ত ভোটের হিসেবে আট ভাগের একভাগ পরিমান হবে ২৯ হাজার ৭৪৯ ভোট। তারা ৭ প্রার্থী এপরিমান ভোট পায়নি। একারনে ৭ জনের জামানত হারাতে হবে।
তবে নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোঃ শরীফুল আলম ( তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯) ও তার নিকটতম প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমিন ( তার প্রাপ্ত ভোট ৪৪ হাজার ৯৫), এই দুজনের জামানত ফিরে পাবেন।
ভৈরব উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাদ্দাম হোসেন জানান, নির্বাচনের বিধি মোতাবেক যেকোন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট প্রার্থীকে পেতে হবে। তা না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এটাই নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নিয়ম।
Reporter Name 












