ভৈরবের ইউপি চেয়ারম্যান রিপন তার পরিষদের মেম্বারের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যা আসামী হয়ে এখন জেলে। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • ১৩০ Time View

২৯ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি।।

ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা  মিজানুর রহমান রিপন তার পরিষদের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও  মেম্বার খোরশেদ আলম ( আল- আমিন) এর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এখন কিশোরগঞ্জ কারাগারে বন্দি আছেন। পুলিশ তাকে থানা ভাঙচুর, লুটপাট মামলায় মিথ্যা আসামী করে গত ২৬ মার্চ রাতে গ্রেফতার করে।

 আজ শনিবার বিকেল ৩ টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তার পরিবার এক সংবাদ সন্মেলন করে অভিযোগে বলেন, বিএনপির সমর্থিত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও   মেম্বার খোরশেদ আলম নিজে আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে  তদবির করে চেয়ারম্যান রিপনকে গ্রেফতার করিয়ে দেয়। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের বড় ভাই মোঃ জিল্লুর রহমান, তার স্ত্রী সুবর্ণ আক্তার, দুই মেয়ে রাফিয়া ও সামিয়া, ভাইবৌ শিউলি বেগম।

তার বড় ভাই জিল্লুর রহমান সংবাদ সন্মেলনে  অভিযোগ করে বলেন, আমার ছোট ভাইকে ঈদের ৫ দিন আগে ও স্বাধীনতা দিবসের দিন রাতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ভৈরব থানা ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় অজ্ঞাত আসামী হিসেবে গ্রেফতার করে। তাকে গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল তার পরিষদের স্বেচ্ছাসেবক দলের  নেতা খোরশেদ আলম আল- আমিন। কারন তাকে আমার ভাই ৫ আগস্টের পর প্যানেল চেয়ারম্যান করেছিল। এখন তার খায়েস রিপন জেলে গেলে সে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাবে। তিনি বলেন, আমার ভাই রিপন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে জনগনের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে কারো ক্ষতি করেনি বরং জনগনের সেবা করেছে। দল করা কোন অপরাধ নয়। দল করে যদি কোন অন্যায় – অপরাধ, লুটপাট, দখলবাজি, চাঁদাবাজি করত তবে অপরাধ হত।  তার তিনটি সন্তান ও  স্ত্রী আছে। ঈদের ৫ দিন আগে তাকে মিথ্যা আসামী হিসেবে   গ্রেফতার করায় তার সন্তানরা কাঁদছে। তিনি মেম্বার খোরশেদের বিচার দাবিসহ চেয়ারম্যান রিপনের মুক্তি দাবি করেন।

গ্রেফতারকৃত চেয়ারম্যানের স্ত্রী সুবর্ণ আক্তার সংবাদ সন্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী মেম্বার খোরশেদের ষড়যন্ত্রের শিকার। দুদিন পর ঈদ অথচ আমার সন্তানগন তাদের বাবাকে বাদ দিয়ে ঈদ করবে যা মেনে নিতে পারছিনা। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট থানা ভাঙচুর, লুটপাট কারা করেছে তা জনগন জানে। অথচ আমার স্বামীকে এমামলায় মিথ্যা আসামী হিসেবে বাসা থেকে গ্রেফতার করে আইনশৃংখলা বাহিনী। তার স্বামীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মেম্বার ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি  খোরশেদ আলম ( আল- আমিন)  বলেন, রিপন তার দলীয় মার্কা নৌকা প্রতীকে  বিনাভোটে চেয়ারম্যান হয়েছে। জুলাই- আগস্টে ছাত্রদের আন্দোলনে সে বিরোধীতা করে সভা সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছে যা ফেসবুকে সবাই দেখেছে। তবে তাকে আমি গ্রেফতার করার ব্যবস্থা করেছি অভিযোগটি অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট। তিনি বলেন আমি ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে কোন পোস্ট দেয়নি। তার অপরাধের কারনে সে গ্রেফতার হয়েছে। তার পরিবারের সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভৈরবে শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ।। গ্রেফতার -১ 

ভৈরবের ইউপি চেয়ারম্যান রিপন তার পরিষদের মেম্বারের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যা আসামী হয়ে এখন জেলে। 

Update Time : ০৪:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

২৯ মার্চ, নিজস্ব  প্রতিনিধি।।

ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা  মিজানুর রহমান রিপন তার পরিষদের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও  মেম্বার খোরশেদ আলম ( আল- আমিন) এর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এখন কিশোরগঞ্জ কারাগারে বন্দি আছেন। পুলিশ তাকে থানা ভাঙচুর, লুটপাট মামলায় মিথ্যা আসামী করে গত ২৬ মার্চ রাতে গ্রেফতার করে।

 আজ শনিবার বিকেল ৩ টায় ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তার পরিবার এক সংবাদ সন্মেলন করে অভিযোগে বলেন, বিএনপির সমর্থিত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও   মেম্বার খোরশেদ আলম নিজে আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে  তদবির করে চেয়ারম্যান রিপনকে গ্রেফতার করিয়ে দেয়। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের বড় ভাই মোঃ জিল্লুর রহমান, তার স্ত্রী সুবর্ণ আক্তার, দুই মেয়ে রাফিয়া ও সামিয়া, ভাইবৌ শিউলি বেগম।

তার বড় ভাই জিল্লুর রহমান সংবাদ সন্মেলনে  অভিযোগ করে বলেন, আমার ছোট ভাইকে ঈদের ৫ দিন আগে ও স্বাধীনতা দিবসের দিন রাতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ভৈরব থানা ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় অজ্ঞাত আসামী হিসেবে গ্রেফতার করে। তাকে গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল তার পরিষদের স্বেচ্ছাসেবক দলের  নেতা খোরশেদ আলম আল- আমিন। কারন তাকে আমার ভাই ৫ আগস্টের পর প্যানেল চেয়ারম্যান করেছিল। এখন তার খায়েস রিপন জেলে গেলে সে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাবে। তিনি বলেন, আমার ভাই রিপন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে জনগনের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে কারো ক্ষতি করেনি বরং জনগনের সেবা করেছে। দল করা কোন অপরাধ নয়। দল করে যদি কোন অন্যায় – অপরাধ, লুটপাট, দখলবাজি, চাঁদাবাজি করত তবে অপরাধ হত।  তার তিনটি সন্তান ও  স্ত্রী আছে। ঈদের ৫ দিন আগে তাকে মিথ্যা আসামী হিসেবে   গ্রেফতার করায় তার সন্তানরা কাঁদছে। তিনি মেম্বার খোরশেদের বিচার দাবিসহ চেয়ারম্যান রিপনের মুক্তি দাবি করেন।

গ্রেফতারকৃত চেয়ারম্যানের স্ত্রী সুবর্ণ আক্তার সংবাদ সন্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী মেম্বার খোরশেদের ষড়যন্ত্রের শিকার। দুদিন পর ঈদ অথচ আমার সন্তানগন তাদের বাবাকে বাদ দিয়ে ঈদ করবে যা মেনে নিতে পারছিনা। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট থানা ভাঙচুর, লুটপাট কারা করেছে তা জনগন জানে। অথচ আমার স্বামীকে এমামলায় মিথ্যা আসামী হিসেবে বাসা থেকে গ্রেফতার করে আইনশৃংখলা বাহিনী। তার স্বামীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মেম্বার ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি  খোরশেদ আলম ( আল- আমিন)  বলেন, রিপন তার দলীয় মার্কা নৌকা প্রতীকে  বিনাভোটে চেয়ারম্যান হয়েছে। জুলাই- আগস্টে ছাত্রদের আন্দোলনে সে বিরোধীতা করে সভা সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছে যা ফেসবুকে সবাই দেখেছে। তবে তাকে আমি গ্রেফতার করার ব্যবস্থা করেছি অভিযোগটি অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট। তিনি বলেন আমি ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে কোন পোস্ট দেয়নি। তার অপরাধের কারনে সে গ্রেফতার হয়েছে। তার পরিবারের সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।