২৬ মার্চ, নিজস্ব প্রতিনিধি:
ভৈরবে গৃহবধূ আখিঁ বেগম হত্যার ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নিহতের মা মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে স্বামী – শুশুরসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করে এই মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার ঘটনার পর পর পুলিশ স্বামী – শুশুর দুইজনকে আটক করে। আজ বুধবার সকালে দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। অভিযুক্তরা হলো স্বামী ইমরান মিয়া (২২) ও শ্বশুর আবুল কাসেম (৪৮)। নিহতের ঘটনায় তার মা মরিয়ম বেগম স্বামী ও শ্বশুরকে আসামি করে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ করে।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে মায়ের সাথে দেখা করায় স্বামী ইমরান তাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে ওড়না পেচিয়ে ঘরে আত্মহত্যা করে বলে প্রচার করে স্বামী। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ পাঠায়।
এ বিষয়ে নিহত গৃহবধূর মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার মেয়েকে ইমরান পিটিয়ে হত্যা করার পর আত্মহত্যার প্রচার করে এলাকায় । মঙ্গলবার ঘটনার সময় আমার সামনে তাকে মারধর করে টেনে হিঁচড়ে বাসায় নিয়ে যায়। আমি কিছুক্ষণ পর শুনতে পারি আমার মেয়ে মারা গেছে। আমি ঘটনার বিচার পেতে মামলা করেছি।
এ বিষয়ে স্বামী ইমরান মিয়ার দাবি তার স্ত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তাকে পিটিয়ে আহত বা হত্যা করার অভিযোগ সে অস্বীকার করে।
এ ব্যাপপারে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী বলেন, আখিঁ বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করে নিহতের মা। ঘটনায় স্বামী – শুশুরকে গ্রেফতার করা হয়। লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।